প্ল্যাটফর্মের ধারে প্রস্রাব করায় যুবককে আরফিএফের মার, মৃত্য়ু

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, ঝাড়গ্রাম:  সামান্য একটা ভুল। প্রাণ দিয়ে তার মাসুল গুনতে হল খড়্গপুরের তরুণকে। ঝাড়গ্রাম  স্টেশনে প্ল্যাটফর্মের বাইরে প্রস্রাব করায় আরপিএফের জওয়ানরা মেরে তাঁর স্পাইনাল কর্ড ভেঙে দেয় বলে অভিযোগ। এক মাসেরও বেশি কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বুধবার সেখানেই মারা যান তিনি। এই ঘটনায় প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে ঝাড়গ্রাম।

খড়্গপুরের কৌশলার বাসিন্দা ২৮ বছরের যুবক দেবদাস কুণ্ডু বিনপুরের দহিজুড়িতে এসেছিলেন বোনের বাড়ি। ২৪ জুন ফেরার দিন ঝাড়গ্রাম স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠেন দেবদাসের পরিবারের লোকজন। কিন্তু তিনি ওঠেননি। পরে বাড়ির লোক জানতে পারেন তিনি হাসপাতালে। পরিবারের অভিযোগ, প্লাটফর্মের সামনে প্রস্রাব করার অভিযোগে তাঁকে আটক করেছিল আরপিএফ। এবং ফাইন করার বদলে তাঁকে বেধড়ক মারধর করে আরপিএফ এর কিছু জওয়ান। স্পাইনাল কর্ড ভেঙে যায় তাঁর। যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকেন তিনি। বেগতিক দেখে তাঁকে ভর্তি করা হয় ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশ‍্যালিটি হাসপাতালে। কিন্তু অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশ‍্যালিটি হাসপাতাল থেকে তাঁকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই টানা ৩৫ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে হার মানেন দেবদাস।

দেবদাসের মৃত্যুর খবর আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ঝাড়গ্রাম ও খড়গপুরের বাসিন্দারা। অভিযুক্ত আরপিএফ কর্মীদের শাস্তির দাবিতে শুরু হয়েছে আন্দোলন। বুধবার সন্ধ্যায় ঝাড়গ্রাম শহরের বাসিন্দারা মিছিল করে স্টেশন চত্বরে গিয়ে মোমবাতি জ্বালান। দোষীদের শাস্তির দাবি ও নিহতের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান। ৪ আগস্ট ঝাড়গ্রাম স্টেশনে অবস্থান বিক্ষোভ করা হবে বলেও সিদ্ধান্ত নেন শহরের নাগরিকরা।

এই ঘটনায় মামলা রুজু করেছে ঝাড়গ্রাম জিআরপি থানার পুলিশ। কিন্তু অভিযুক্ত আরপিএফ কর্মীদের আপাতত ক্লোজ করে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Leave A Reply

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More