গঙ্গার তীর থেকে উদ্ধার বিপন্ন নীলগাই, হইচই মালদায়

আঘাতের চিহ্ন আছে শরীরে। অন্য অঞ্চল থেকে গঙ্গার জলে ভেসে এসেছে বলেই অনুমান৷উদ্ধারের পর তুলে দেওয়া হল বন দফতরের হাতে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, মালদা: গঙ্গা নদীর তীর থেকে নীলগাই উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় মালদার মানিকচক এলাকা। মানিকচক থানার ডোমহাট হাড্ডাটোলা গ্রামে সোমবার ৭ই সেপ্টেম্বর সকালে গঙ্গা নদীর ধারে স্থানীয় মানুষের নজরে আসে নীলগাইটি। প্রাথমিক বিস্ময়ের ঘোর কাটিয়ে এলাকার মানুষেরাই খবর পাঠায় মানিকচক থানার পুলিশের কাছে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় নিলগাইটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে পুলিশের তরফে বনদফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয় বিপন্ন পশুটিকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার নদীর তীর ধরে আহত অবস্থায় ছোটাছুটি করছিল একটি নীলগাই। স্থানীয়দের নজর পড়তেই সময় নষ্ট না করে আহত পশুটিকে উদ্ধারের কাজে নেমে পড়েন তারা। জানানো হয় পুলিশ প্রশাসনকেও। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় স্থানীয় মানিকচক থানার পুলিশ। পুলিশের লোকজন ও সাধারণ মানুষের যৌথ প্রচেষ্টায় নদীর জল থেকে কোনওভাবে তুলে আনা হয় নীলগাইটিকে। নদী পথে রাজ্যের অন্য কোনও প্রান্ত থেকে নিলগাইটি এই এলাকায় এসে পৌঁছেছে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। পশুটিকে উদ্ধারের পর মানিকচক থানাতেই নিয়ে আসা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,নীলগাইটির দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। থানা থেকেই খবর যায় বন দফতরে। পরে বন দফতরের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে মানিকচক থানার ওসি গৌতম চৌধুরী সহ পুলিশকর্মীরা উদ্ধার হওয়া নীলগাইটিকে বন দফতরের হাতে তুলে দেন।

এ প্রসঙ্গে বন দফতরের আধিকারিক ইন্দ্রজিৎ দাসকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে নীলগাইটি অন্য কোনও অঞ্চল থেকে গঙ্গা নদীতে পড়ে যায়।তারপর নদীর স্রোতে ভেসে এই এলাকায় এসে পৌঁছায়। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের তৎপরতার ভূয়সী প্রশংসা করেন ইন্দ্রজিৎবাবু। তিনি বলেন পুলিশ এবং এলাকার মানুষজনের আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া আহত পশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হত না। আপাতত আহত নীলগাইটিকে আদিনা ফরেস্টে নিয়ে যাওয়া হবে এবং সেখানেই কিছুদিন চিকিৎসা করানো হবে আহত নীলগাইটির।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More