শনিবার, আগস্ট ২৪

ঘৃণিত অপরাধীরাও কংগ্রেস নেতাদের চেয়ে ভালো, এই বলে দল ছাড়লেন ঝাড়খণ্ডের নেতা

দ্য ওয়াল ব্যুরো : কংগ্রেসের কয়েকজন নেতা নিজের স্বার্থ ছাড়া কিছু বোঝেন না। তাঁরা নানা দুর্নীতিতে জড়িত। এই বলে ঝাড়খণ্ড প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ ছাড়লেন অজয় কুমার। তিনি একসময় আইপিএস অফিসার ছিলেন। প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে তিনি পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। তাতে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুবোধকান্ত সহায় সহ ঝাড়খণ্ডের বেশ কয়েকজন নেতার নাম আছে। অজয় কুমারের অভিযোগ, এই নেতারা দলের স্বার্থের ওপরে ব্যক্তিগত স্বার্থকে স্থান দেন।

অজয় কুমার লিখেছেন, দুর্নীতি সম্পর্কে আমি জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলেছি। কোনও রকম মধ্যমেধাকে প্রশ্রয় দিইনি। কিন্তু আমি কাজ করতে পারছিলাম না। দয়া করে ঝাড়খণ্ড প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে আমার ইস্তফা গ্রহণ করুন।

‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ কংগ্রেস নেতাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমি মনে করি, কংগ্রেসের উচিত এমন ইস্যু তোলা যা জনগণের স্বার্থে সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। শাসক ও বিরোধী দল, সর্বত্রই সৎ লোক থাকা উচিত। কয়েকজন কংগ্রেস নেতার নাম করে তিনি বলেন, তাঁদের একমাত্র উদ্দেশ্য ক্ষমতা দখল করা। তাঁরা ভোটের টিকিট বিক্রি করে টাকা তোলেন। আমি একজন গর্বিত ভারতীয়। জামশেদপুরে মাফিয়াদের ধ্বংস করার পর আমি পুলিশ গ্যালান্ট্রি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিলাম। আমার মতো অত কম বয়সে আর কেউ ওই পুরস্কার পায়নি। আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, কংগ্রেসে আমার সহকর্মীদের অনেকে নিকৃষ্টতম অপরাধীদের চেয়েও খারাপ।

লোকসভার প্রাক্তন সদস্য অজয় কুমারের অভিযোগ, অনেক কংগ্রেস কর্মী ভোটের টিকিট পাননি বলে দলের ক্ষতি করেছেন। অনেকে তাঁদের আত্মীয়কে টিকিট দেওয়া হয়নি বলে দলের ক্ষতি করেছেন। কয়েকজন কংগ্রেস নেতার প্রশংসা করে তিনি লিখেছেন, তাঁরা নিঃস্বার্থভাবে মানুষের স্বার্থে লড়াই করে চলেছেন। দলের অনেক প্রবীণ নেতা জানেন না এখনকার দিনে রাজনীতি কেমন হওয়া উচিত।

Comments are closed.