সোমবার, আগস্ট ১৯

পাকিস্তানে কি মৃত্যুদণ্ড হবে কুলভূষণের? আন্তর্জাতিক কোর্ট রায় দেবে বুধবার

  • 25
  •  
  •  
    25
    Shares

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গুপ্তচরবৃত্তি। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ। এই দুই অপরাধে পাকিস্তানে প্রাণদণ্ড দেওয়া হয়েছে ভারতের নাগরিক কুলভূষণ যাদবকে। ভারতের নৌবাহিনীর প্রাক্তন কর্মী কুলভূষণ এখন পাকিস্তানের জেলে বন্দি আছেন। ভারতের দাবি, বিচারের নামে প্রহসন হয়েছে। জোর করে তাঁর থেকে স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড বাতিল করা ও ভারতীয় দূতাবাসের কর্মীদের তাঁর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়ার আর্জি জানিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে গিয়েছিল ভারত সরকার। ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস রায় দেবে বুধবার।

এই আদালত হেগ শহরে অবস্থিত। সেখানে রাষ্ট্রসঙ্ঘের এক অধিবেশনে এদিন ভারতীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা নাগাদ রায় পড়ে শোনানো হবে।

৪৯ বছরের কুলভূষণ যাদব ২০১৬ সালের মার্চে পাকিস্তানে গ্রেফতার হন। গুপ্তচরবৃত্তি ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের দায়ে পরের বছর তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তার একমাস পরে ভারত আন্তর্জাতিক আদালতের শরণাপন্ন হয়। কুলভূষণের মৃত্যুদণ্ড তখনকার মতো বন্ধ থাকে।

পাকিস্তানের দাবি, কুলভূষণ ইরান দিয়ে পাকিস্তানের বালুচিস্তান প্রদেশে ঢুকেছিলেন। ২০১৬ সালের ৩ মার্চ তিনি ধরা পড়েন। ভারতের পালটা দাবি, নৌবাহিনীর চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পরে কুলভূষণ ব্যবসা করতেন। ব্যবসায়িক কারণেই তিনি ইরানে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে পাকিস্তানের নিরাপত্তা রক্ষীরা তাঁকে অপহরণ করে নিয়ে আসে।

ভারত অভিযোগ করে, পাকিস্তান কুলভূষণের সঙ্গে ভারতীয় দূতাবাসের কাউকে দেখা করতে দেয়নি। এতে ভিয়েনা কনভেনশনে গৃহীত নীতি অমান্য করা হয়েছে। পাকিস্তানের বক্তব্য, কুলভূষণের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে আন্তর্জাতিক কোর্ট প্রকাশ্যে চারদিন ধরে ওই মামলার শুনানি করে। ভারত অভিযোগ করে, কুলভূষণকে পাকিস্তানের খেলার ঘুঁটি হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তারা যে সন্ত্রাসবাদে মদত দেয়, সেদিক থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য কুলভূষণকে নিয়ে হইচই করা হচ্ছে।

ভারতের আরও অভিযোগ, ২০১৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর কুলভূষণের মা ও স্ত্রী তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। তখন পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ নানাভাবে তাঁদের হেনস্থা করেছে।

Comments are closed.