বাইরে থেকে খাবার কিনে সরকারি টাকা নয়ছয়! অভিযুক্ত সাব্যস্ত নেতানিয়াহুর স্ত্রী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সরকারি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। তা-ও আবার খাওয়ার জন্য টাকা ওড়ানো। সেই অপরাধেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। প্রথমে অস্বীকার করলেও, শেষমেশ সরকারি টাকা তছরুপের অভিযোগ মেনে নিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর স্ত্রী সেরা। সূত্রের খবর, এই তছরুপের জন্য তাঁকে সব মিলিয়ে দেশের তহবিলে ফেরত দিতে হবে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার।

ইজরায়েলের আইন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে যদি কোনও রাঁধুনি নিযুক্ত থাকেন, তা হলে বাইরে থেকে কোনও খাবার কিনে আনা বেআইনি। যা খাতে ইচ্ছে করবে, সব কিচেনেই বানানোর জন্য বলতে হবে। বাইরে থেকে কিনে আনা যাবে না। নেতানিয়াহুর স্ত্রী সেরা ঠিক এই কাজটাই করেছিলেন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

প্রথমে অস্বীকার করলেও, পরে তিনি মেনে নিয়েছেন যে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে রাঁধুনি থাকা সত্ত্বেও তিনি সেই তথ্য গোপন করে বাইরে থেকে ‘কেটারিং পরিষেবা’ নিয়েছিলেন। এবং তার জন্য বিল করেছিলেন ৯৯ হাজার ৩০০ ডলার!

সরকারকে প্রতারণা ও আইনভঙ্গের অপরাধে গত বছর দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন তিনি। তবে তাঁর আইনজীবী আদালতে জানান, এই মামলার সঙ্গে সেরার কোনও যোগ নেই। প্রধানমন্ত্রীকে অর্থাৎ তাঁর স্বামীকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্যই এ সব করা হচ্ছে বলে সওয়াল করেন তিনি। ওই আইনজীবীর আরও যুক্তি ছিল, এই নিয়ম-কানুনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী-পত্নী সেরাকে জানানোই হয়নি আগে থেকে।

শুধু তা-ই নয়। সেরা নিজে নন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে খাবারদাবার তথা অতিথি-আপ্যায়নের দায়িত্বে থাকা ‘হাউসহোল্ড ম্যানেজার’ই বাইরের কেটারিং সংস্থাকে পুরো অর্ডারটি দেন। যে অভ্যাগতদের নিমন্ত্রণ উপলক্ষে বরাতটি দেওয়া হয়েছিল, সেই অভ্যাগতদের খাবার পরিবেশনও করেছিলেন ওই ম্যানেজার। ফলে পুরো বিষয়টির খুঁটিনাটি সম্পর্কে ওয়াকিবহালই ছিলেন না সেরা।

এই সওয়ালের পরেই সেরার বিরুদ্ধে অভিযোগের গুরুত্ব কমানো হয়। প্রশাসনের তরফের আইনজীবী জানান, অনেকটাই ছাড় দেওয়া হয়েছে সেরাকে। ছাড় দেওয়ার পরে যে জরিমানা ধার্য হয়েছে, তা দিতে রাজিও হয়েছেন সেরা। মেনে নিয়েছেন ১২ হাজার ৪৯০ ডলার দেশের তহবিলে ফেরত দেওয়ার ও ২,৭৭৭ ডলার সরকারকে জরিমানা দেওয়ার নিদানও।

ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী, অর্থাৎ সেরার স্বামী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেন, “সেরা নেতানিয়াহু এক জন দৃঢ়চেতা মহিলা। তাঁর কোনও কাজে কখনওই কোনও ত্রুটি ছিল না। আমায় ফাঁসানোর জন্য ওঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে বিরোধী পক্ষের তরফে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More