মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২৮
TheWall
TheWall

সারা জীবনে একবার স্নান করেন এই মহিলারা, সেটাই নাকি নিয়ম!

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আপনি কত দিন টানা স্নান না করে কাটাতে পারেন? বা খুব কাছের মানুষ যদি একটানা বেশ কয়েকদিন স্নান না করে থাকেন, তাঁকে জড়িয়ে ধরেন, কাছে যান তাঁর? তাঁকে নিয়ে বন্ধু মহল বা কোনও অনুষ্ঠানে গিয়ে কিন্তু কিন্তু বোধ করেন? হয় তো ভাবছেন, বাড়িতে বা বন্ধু মহলে এমন এক দু জন তো আছেনই, যিনি শীত আসব আসব করলেই স্নান বন্ধ করে দেন।  তাঁকে বকে, ঝগড়া করে হয় তো আপনি স্নানেও পাঠান।  কিন্তু হিম্বা উপজাতির কোনও মহিলা আপনার বন্ধু হলে, কোনও মতেই আপনার জোর চলবে না তাঁর উপর।  হ্যাঁ, তাঁদের নিয়ম অনুযায়ী, সারা জীবনে একবারই মাত্র স্নান করতে পারেন তাঁরা।

আমরা স্নান করি রোজই, কারণ পরিচ্ছন্নতা, আর অবশ্যই নিজেদের সুন্দর দেখতে চাওয়া।  আজকালকার এই প্লাস্টিক সৌন্দর্যের দুনিয়ায়, আমাকে কেমন দেখাচ্ছে, খুব বড় একটা বিষয় প্রায় সকলের কাছেই।  সেখানেই এমন এক উপজাতি রয়েছে যাঁরা আফ্রিকার উত্তর নামিবিয়ার কুনেইন প্রদেশে বাস করেন।  এই উপজাতির মহিলাদের জল ছোঁয়াই বারণ! তাই স্নান যেমন করেন না, তেমনি জামা কাপড়ও কাচেন না এঁরা।  তাও কিন্তু তাঁদের গায়ে কোনও ঘা বা চর্মরোগ নেই।  দুর্গন্ধও নেই।  কিন্তু কী করে?

এঁরা বিভিন্ন প্রজাতির গাছের পাতা, ছোট ছোট শাখা প্রশাখা থেকে নিজেদের রুপ যৌবনে লাবণ্য ধরে রাখেন।  এঁরা গাছের পাতা পুড়িয়ে সেই ধোঁয়ায় সারা শরীর পরিষ্কার রাখেন।  Commiphora গাছের (এই গাছটি থেকে সুগন্ধ বের হয়) পাতা, ছোট ছোট শাখা-প্রশাখা একটা পাত্রে দিয়ে পুড়িয়ে নেন তাঁরা।  ধোঁয়া উঠতে শুরু হলে এই ধোঁয়া শরীরে লাগান।  যখনই ঘাম হতে শুরু হয়, কম্বল দিয়ে ধোঁয়াসহ সমস্ত শরীরটা ঢেকে রাখেন।  এভাবেই তাঁরা নিজেদের সুন্দর এবং সুস্থ রাখেন।  এই ধোঁয়ার সুগন্ধে তাঁদের কখনও কোনও পোকা মাকড় কামড়ায়ও না।  চামড়াও থাকে উজ্জ্বল।

আর এক ধরনের ক্রিম তাঁরা মাখেন, যে ক্রিম তাঁদের প্রখর সূর্যের আলো থেকে রক্ষা করে।  গায়ে খুব বেশি লোমও থাকতে পারে না।  বয়ঃসন্ধি থেকে এই ক্রিম লাগান তাঁরা।  প্রাণীজ ফ্যাট এবং হেমাটাইট মাটি থেকে তৈরি করা এই ক্রিম বা লোশন থেকে সহজেই যে কোনও বীজানুমুক্ত থাকেন এঁরা।  তবে এই ক্রিমের জন্যই এঁদের চামড়া লালচে দেখতে হয়।

Share.

Comments are closed.