মঙ্গলবার, নভেম্বর ১২

আমরা কিন্তু আর বেশিদিন অপেক্ষা করব না, বিজেপিকে হুমকি শিবসেনার

দ্য ওয়াল ব্যুরো : বিজেপির মন্ত্রী সুধীর মুনগানতিয়ার শুক্রবারই বলেছিলেন, ৮ নভেম্বরের মধ্যে সরকার গঠন করতে না পারলে মহারাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে। শনিবার তার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল শিবসেনা। দলের তরফে বলা হয়েছে, আমাদের রাষ্ট্রপতি শাসনের ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না। একইসঙ্গে শিবসেনা নেতারা হুমকির সুরে বলেছেন, আমরা আর বেশিদিন অপেক্ষাও করব না।

সুধীর মুনগানতিয়ার বলেছিলেন, রাজ্যে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে মূল বাধা হল শিবসেনা। তারা মুখ্যমন্ত্রী পদটি আড়াই বছরের জন্য চাইছে বলেই সরকার গড়া যাচ্ছে না। শনিবার এই মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন শিবসেনার এমপি সঞ্জয় রাউত। তাঁর কথায়, “ভারতের আইন অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের রক্ষক। আমাদের যারা রাষ্ট্রপতি শাসনের ভয় দেখাচ্ছে, তারা সরকার গঠনের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তাদের আর উপায় নেই। সেক্ষেত্রে শিবসেনাও আর বেশিদিন ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ পলিসি নিয়ে চলবে না।”

শিবসেনার দাবি, ৫০-৫০ ফর্মুলা মেনে সরকার গড়তে হবে। আড়াই বছরের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদটি তাদের ছেড়ে দিতে হবে। দলের মুখপত্র ‘সামনা’-র সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, মুনগানতিয়ারের বিবৃতিতে বোঝা যায়, তাঁর মনের মধ্যে কী ধরনের বিদ্বেষ রয়েছে। সম্পাদকীয়ের শিরোনামে লেখা হয়েছে, ‘প্রেসিডেন্ট কি আপনাদের কবজায়? আপনারা মহারাষ্ট্রকে অপমান করেছেন।’

পরে সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, রাষ্ট্রপতিকে কি আপনারা নিয়ন্ত্রণ করেন। নাকি রাষ্ট্রপতির স্ট্যাম্প এখন বিজেপি অফিসে রয়েছে? আপনারা যদি মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন করতে না পারেন, তাহলে কি সেই স্ট্যাম্পটি ব্যবহার করবেন?

২৮৮ আসন বিশিষ্ট মহারাষ্ট্র বিধানসভায় বিজেপি পেয়েছে ১০৫ আসন। শিবসেনা পেয়েছে ৫৬ টি। রাজ্যে সরকার গড়তে চাই ১৪৫ টি আসন। বিজেপি ও শিবসেনা মিলে সহজেই সরকার গড়তে পারত। কিন্তু শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে দাবি করে, লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির সভাপতি অমিত শাহের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছিল। বিজেপি প্রধান বলেছিলেন, ৫০-৫০ ফর্মুলায় ক্ষমতা ভাগাভাগি হবে।

Comments are closed.