ভেষজ ওষুধে সারতে পারে কি করোনা? এবার পরীক্ষার অনুমোদন দিতে পারে খোদ হু

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়তে এবার ভেষজ ওষুধে অনুমোদন দিতে পারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু। জানা গেছে, কোভিড প্রতিরোধী হিসেবে ভেষজ ওষুধের তিন পর্যায়ের ট্রায়ালের নিয়মনীতি কী হবে, তাও তৈরি করতে শুরু করেছেন হু এবং আরও দুই সংস্থার গবেষকরা।

হু-এর এক আঞ্চলিক পরিচালক প্রম্পার টিউমিসিম এ বিষয়ে জানান, যদি ভেষজ ওষুধ কোভিড সারাতে কাজ করে, সেই সঙ্গে তা রোগীর দেহের পক্ষে নিরাপদ হয় তবে হু তা দ্রুত এবং ব্যাপকভাবে কাজে লাগানোর জন্য সুপারিশ করবে পৃথিবীর সমস্ত দেশকে।

প্রসঙ্গত, আফ্রিকার মাদাগাস্কারের প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রি রাজোয়েলিনা কিছুদিন আগে এক বিশেষ পানীয়ের কথা বলেছিলেন, যা ম্যালেরিয়ার চিকিৎসায় সফল হিসেবে প্রমাণিত। ‘আর্টেমিসিয়া’ গাছ থেকে তৈরি ওষুধের কথা জনসমক্ষে আসতেই আলোচনা শুরু হয়, করোনার জন্যও এরকম কোনও ভেষজ উপাদান রয়েছে কিনা।

এর পরেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই অনুমোদনের কথা বলল। তবে মাদাগাস্কারের বিশেষ পানীয়টি দিয়ে করোনার ট্রায়াল চালানো হবে কিনা, সেই বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে কিছু বলা হয়নি এখনও। তারা জানিয়েছে, সনাতনী চিকিৎসা পদ্ধতিতে বা প্রাকৃতিক কোনও প্রতিষেধকের  উদ্ভানকে তারা স্বাগত জানাচ্ছে, কিন্তু কোনও অপরীক্ষিত চিকিৎসা পদ্ধতি চালু করা যাবে না কোনও ভাবেই। শনিবার হু-এর পক্ষে এই প্রোটোকলে অনুমোদন দেওয়ার বিষয়টি ঘোষণা করা হয়।

কোভিড ১৯ অসুখের টিকা বা ওষুধ তৈরির কাজে কার্যত দিন-রাত এক করে লড়ছে পৃথিবীর সমস্ত দেশ। এর মধ্যেই উঠে এসেছে, ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পাশাপাশি প্রাকৃতিক ভাবেও কোনও সুরাহা মিলতে পারে কিনা, সে বিষয়টি।

এবার এ নিয়ে বিস্তারিত গবেষণায় ও পরীক্ষায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে কাজ করবে আফ্রিকার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এবং প্রিভেনশন অ্যান্ড দ্য আফ্রিকান ইউনিয়ন কমিশন ফর সোশ্যাল অ্যাফেয়ার্স। তবে ট্রায়ালে কোনও আপস নয়। ল্যাবে তৈরি অন্যান্য ওষুধ যে পদ্ধতিতে যত মানুষের মধ্যে প্রয়োগ করে পরীক্ষা করা হয়, এ ধরনের ভেষজ ওষুধেও তাই করার পরে তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তবে এই প্রথম নয়। এমনিতেই বিশ্বজোড়া করোনা পরিস্থিতিতে ভেষজ ওষুধ বা ঘরোয়া টোটকায় ভরসা রেখেছেন বহু সাধারণ মানুষ। করোনার কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ এখনও পর্যন্ত না থাকায়, গাছগাছড়া থেকে পাওয়া নানা ওষুধ কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছেন অনেকেই। এদেশে তো বাবা রামদেব জানিয়েই দিয়েছিলেন, করোনার সংক্রমণ রোধের প্রাকৃতিক উপায় তাঁর জানা আছে। ভারতীয় আয়ুর্বেদেই এ রোগ নির্মূল করার দাবি জানিয়ে করোনিল ওষুধ এনেছিলেন তিনি।

গুলঞ্চ এবং অশ্বগন্ধা গাছের পাতা, ছাল, শিকড় থেকে তৈরি ওষুধ বা পাতার রস মানুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে বহু গুণ বাড়িয়ে তোলে বলে দাবি করেন তিনি। যদিও এখনও পর্যন্ত এই ওষুধেরর ক্লিনিক্যালি টেস্ট সম্পূর্ণ হয়নি। করোনার ওষুধ বলে করোনিলকে স্বীকৃতিও দেয়নি সরকার।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More