‘যারা বলে আইন-শৃঙ্খলা খারাপ, তাদের মুখে লিউকোপ্লাস্ট লাগিয়ে দেওয়া উচিত’

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঠিক ছিল, প্রতি বছরের মতোই পুরস্কৃত করা হবে পুলিশকর্মীদের। কলকাতা পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের যে অফিসার, কনস্টেবল ও অন্য কর্মীরা গত এক বছরে উৎকৃষ্ট সেবা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন এবং দৃষ্টান্তমূলক কাজ করেছেন, তাঁদের প্রেক্ষাগৃহের মঞ্চে পুরস্কৃত করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। কিন্তু মমতা এখন ধর্মতলার ধর্ণা মঞ্চে সংবিধান বাঁচাতে সত্যাগ্রহ করছেন। তাই এই অবস্থায় সোমবার বিকেলে গোটা অনুষ্ঠানই তিনি তুলে আনলেন মেট্রো চ্যানেলে। ধর্ণা মঞ্চের পাশেই। সেখানেই সোমবার বিকেলে পুলিশ অফিসারদের পুরস্কৃত করা হয়।

এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী অকুণ্ঠ প্রশংসা করেন পুলিশের। নিন্দকদের উদ্দেশে ছুড়ে দেন কটাক্ষও। তিনি বলেন, “যারা বলে আইন-শৃঙ্খলা খারাপ, তাদের মুখে লিউকোপ্লাস্ট লাগিয়ে দেওয়া উচিত। এবারের গঙ্গাসাগরে কিন্তু একটাও ঘটনা ঘটতে দেয়নি পুলিশ। পুলিশ অনেক কষ্ট করে কাজ করে।” এ কথা বলে তিনি বার্তা দেন, সারা দেশের প্রাশাসন ব্যবস্থাই সুষ্ঠু ভাবে পরিচালিত হোক।

এর পরেই অবশ্য তিনি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সব চেয়ে উত্তেজিত পর্বের দিকে ইঙ্গিত করেন। পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআইয়ের হানা প্রসঙ্গে বলেন, “যারা জীবন পাত করে কাজ করছেন, তাদের কোনও দোষ না থাকা সত্ত্বেও তাদের দোষী প্রমাণ করতে চায়, কোনও তথ্য়প্রমাণ ছাড়া হেনস্থা করে গ্রেফতার করতে চায়, আমাদের ছোটো বলে মনে করে করে– সেখানে আমার রাগ আছে। যেখানে প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক ভাবে ব্যবহার করে, ব্যক্তিগত ভাবে আক্রমণ চালানো হয়, সেখানে আমার রাগ আছে।”

মমতা জানান, আগে কোনও পুলিশ অফিসার মারা গেলে তাঁদের দিকে কেউ তাকাত না। এই সরকার সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের পরিবারকে সাহায্য করে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, নিহত পুলিশ অফিসার অমিতাভ মালিকের স্ত্রী বিউটি মালিককে এ দিনের মঞ্চে দেখা যায় তাঁর স্বামীর হয়ে পুরস্কার নিতে।

তাঁর আমলে পুলিশ-প্রশাসন যে অনেক বেশি সক্রিয়, তার উদাহরণ দিতে গিয়ে মমতা বলেন, “আমরা সুদীপ্ত সেনকে বাটালিক থেকে গ্রেফতার করেছিলাম। আগের সরকার তো কই করেনি! অথচ সেই পুলিশেরই শীর্ষে থাকা রাজীব কুমারকে চোর বলা হচ্ছে। তিনি কার টাকা নিয়েছেন? যাঁরা সৎ পথে কাজ করতে চান, তাঁদের পাশে আমি দাঁড়াবই। তাঁর জন্য আমি জীবনও দিয়ে দেব।”

আরও উত্তেজিত হয়ে গিয়ে মমতা বলেন, “আমি সারা জীবন যুদ্ধ ক্ষেত্রে লড়াই করেছি। আমার সঙ্গে যা খুশি করবে করে নিক। এখানে ওরা ৩৫৬ করতে চাইলে করুক। ওটা অত সোজা কথা নয়। আমাদের হাতেও ১৪৪ আছে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More