জাতির উদ্দেশে ভাষণ, কী বললেন মোদী, দেখুন একনজরে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    • যখন কোনও প্রাকৃতিক সংকট আসে, তা কোনও প্রদেশ বা রাজ্যে সীমিত থাকে। কিন্তু এই সংকট গোটা মানবজাতিকে বিপদে ঠেলে দিয়েছে। গত দু’মাস ধরে গোটা বিশ্ব থেকে করোনা নিয়ে উদ্বেগজনক খবর পাচ্ছি।

    • এই দু’মাসে ভারতের ১৩০ কোটি মানুষও করোনা মহামারীর সঙ্গে মোকাবিলা করেছে। কিন্তু প্রত্যেক ভারতবাসীকে আরও সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।

    • আমরা সবাই মিলে আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্যের দিকে এগোচ্ছি। প্রয়াস সফলও হচ্ছে।

    •  আমাকে কখনও দেশবাসী নিরাশ করেনি।

    • তাই আমি আজ আপনাদের থেকে কিছু চাইতে এসেছি। আমার আপনাদের আগামী সময়টা চাই।

    •  এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাস থেকে বাঁচার কোনও নিশ্চিত উপায় বিজ্ঞান বের করতে পারেনি। কোনও টিকাও আবিষ্কার হয়নি।

    • দুনিয়ার যে সব দেশে করোনাভাইরাসের প্রভাব বেশি, সেখানে প্রথম কয়েকদিন পর সংক্রমণের বিস্ফোরণ ঘটেছে। ভারত সরকার সে দিকে নজর রেখে চলেছে।

    • কিছু দেশ ভাল কাজ করেছে। আক্রান্তদের আইসোলেট করে রাখতে সফল হয়েছে।

    • কিন্তু ভারতের মতো ১৩০ কোটি জনসংখ্যার উন্নয়নশীল দেশে করোনার এই সংকট মামুলি ব্যাপার নয়।

    • দুটো প্রধান বিষয় জরুরি– সংকল্প এবং সংযম।

    • ১৩০ কোটি মানুষকে সংকল্প আরও দৃঢ় করতে হবে। এক জন নাগরিক হিসেবে তাঁরা যেন নিজেদের কর্তব্য পালন করেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের নির্দেশ পালন করেন।

    • সংকল্প নিতে হবে, আমরা নিজেদের সংক্রমণ থেকে বাঁচাব এবং অন্যদেরও সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাব।

    • এমন পরিস্থিতিতে একটাই কথা প্রযোজ্য-– আমি সুস্থ তো জগৎ সুস্থ।

    • সামাজিক সংস্রব এড়িয়ে চলা অনেক বড় ভূমিকা নিতে পারে।

    • আপনি যদি মনে করেন আপনি সুস্থ, আপনি যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন, মার্কেটে ঘুরতে পারেন—তা ঠিক নয়। এতে আপনি আপনার প্রিয়জনের প্রতিও অন্যায় করবেন।

    • আগামী কয়েক সপ্তাহ খুব জরুরি না হলে বাড়িতেই থাকুন। ব্যবসার কাজ হোক বা অফিসের কাজ, যতটা সম্ভব বাড়িতে বসেই করুন।

    • সরকারি কর্মচারী, স্বাস্থ্য কর্মী, মিডিয়া কর্মী—এদের সক্রিয় থাকা অপরিহার্য। কিন্তু বাকিদের সংযম রাখতে হবে।

    • ২২ মার্চ, আগামী রবিবার পালন করতে হবে জনতা কার্ফু। জনতার দ্বারা, জনতার জন্য নিজেদের উপর জারি করা কার্ফু।

    • ওই দিন সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কেউ বাড়ি থেকে বেরোবেন না। দেশের ভালর জন্য এটা একটা প্রতীক।

    • ওইদিন বিকেল ৫ টায় সাইরেন বাজানো হবে। সেইসময় দেশের সব মানুষ জানালায়, দরজায় বা বারান্দায় দাঁড়াবেন।

    • ডাক্তার, চিকিৎসাকর্মী, পরিবহন কর্মীর মত যেসব মানুষ নিজেদের প্রাণের তোয়াক্কা না করে মানুষের জন্য কাজ করছেন, তাঁদের ধন্যবাদ জানানো হবে সেদিন।

    • আগে যখন যুদ্ধ পরিস্থিতি হত, তখন বিভিন্ন জায়গায় ব্ল্যাক আউট করে দেওয়া হত। যুদ্ধ না হলেও ব্ল্যাক আউটের ড্রিলও হত বছরে এক-দু’বার।

    • এই বিপর্যয়ের সময় কর্মীরা ঠিকমতো কাজ করতে না পারলে যেন তাঁদের মাইনে না কাটা হয়, কিংবা অন্য কোনওরকম শাস্তি না দেওয়া হয়।

    • করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা দারুণ ব্যস্ত। তাই এখন খুব দরকার না হলে হাসপাতাল-এ যাওয়া এড়িয়ে যান। পরিচিত ডাক্তার দেখান। জরুরি অস্ত্রোপচার না হলে স্থগিত করুন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More