বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭

আহত অর্জুন সিং-কে দেখতে হাসপাতালে গেলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার শ্যামনগরে রাজনৈতিক সংঘর্ষে গুরুতর জখম হয়েছিলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ তথা বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। তাঁর মাথা ফেটে প্রচুর রক্তপাত হয়। পরে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে। সোমবার বেলায় তাঁকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন বাংলার নবিনিযুক্ত রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।

অর্জুনকে দেখতে রবিবার বিকেল থেকে হাসপাতালে গিয়েছিলেন মুকুল রায়, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন, দিলীপ ঘোষের মতো বিজেপি নেতারা। তবে রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনায় আহত নেতাকে দেখতে রাজ্যপাল হাসপাতালে চলে যাওয়ায় কেউ কেউ আবার ভ্রুকূটি করছেন। রাজভবনের তরফে পাল্টা যুক্তিও রয়েছে। বলা হচ্ছে, রাজ্যপাল রাজনীতির উর্ধ্বে। কার সঙ্গে কী বিবাদ হয়েছে, সেটা তিনি দেখছেন না। উনি মনে করছেন, লোকসভার একজন সাংসদ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, তাই রাজ্যপাল হিসেবে তাঁর যাওয়া উচিত। সংবাদমাধ্যমের সামনে এ নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল।

অর্জুনের উপর হামলাকে জাতীয় স্তরে তুলে ধরতে চাইছে রাজ্য বিজেপি। লোকসভার সাংসদকে এই ভাবে প্রকাশ্যে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হলে, সাধারণ কর্মীদের অবস্থা কী, সেটাই বোঝাতে চাইছেন দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়রা। গতকালই গোটা ঘটনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জানান বিজেপি নেতা মুকুল রায়। বলেন, “বাংলার পুলিশ সব ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।” এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি। পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজ্যপাল হাসপাতালে গেলে সে ব্যাপারে আরও গুরুত্ব বাড়বে।

তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে রবিবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত ছিল ফিডার রোড এলাকা। এরপর দুপুর গড়াতেই উত্তেজনা আরও বাড়ে। সার্কাস মোড়ে বিজেপি-র অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায় বিজেপি কর্মীদের। সেই সময়ে ওই জায়গায় পৌঁছন অর্জুন। তাঁর দাবি, পুলিশের লাঠির আঘাতেই তাঁর মাথা ফেটেছে। ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মার বিরুদ্ধে তাঁকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যপাধ্যায়ের থেকে পুরস্কার নিয়ে, তাঁকে কৃতজ্ঞতা জানাতেই মাথায় লাঠির বাড়ি মারা হয়েছে।

টুইট করে অর্জুন লেখেন, “ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা আমায় খুনের চেষ্টা করেছেন। সম্প্রতি তিনি মুখ্যমন্ত্রীর থেকে মেডেল পেয়েছেন। তাঁর নির্দেশেই এই কাজ করেছেন সিপি। অন্ধের মতো আজ্ঞা বহন করেছেন মেডেলের প্রতিদান দিতে।

Comments are closed.