রাজ্যপাল মোটেই বাড়াবাড়ি করেননি, মধ্যপ্রদেশে বিধানসভায় শক্তিপরীক্ষা নিয়ে বলল সুপ্রিম কোর্ট

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : করোনাভাইরাসের আতঙ্কে মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার অধিবেশন স্থগিত রাখা হয়েছে ২৬ মার্চ পর্যন্ত। তারই মধ্যে আস্থাভোট নিতে বলেছিলেন রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডন। কংগ্রেসের অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল নিজের এক্তিয়ার বহির্ভূত কাজ করেছেন। বিধানসভার অধিবেশন যখন বন্ধ আছে, তখন আস্থাভোট করতে বলার অধিকার তাঁর নেই। কিন্তু আদালত বৃহস্পতিবার রায় দিল কংগ্রেসের বিপক্ষেই। বিচারপতিরা জানিয়ে দিলেন, বিধানসভার অধিবেশন বন্ধ থাকাকালীন রাজ্যপাল যদি দেখেন সরকার সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছে, তিনি আস্থাভোট নেওয়ার কথা বলতেই পারেন।

    এর আগে অবিলম্বে আস্থাভোট করার জন্য শীর্ষ আদালতে আর্জি জানিয়েছিল বিজেপি। দলের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়, “বিধানসভা যখন স্থগিত হয়ে আছে, তখন সরকার যদি গরিষ্ঠতা হারিয়ে ফেলে তাহলে কী হবে? রাজ্যপাল কি বিধানসভার অধিবেশন ডাকতে পারেন না?” এই প্রশ্নের জবাবে বিচারপতিরা মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপালের কাজকে সমর্থন করেন।

    ২০১৮ সালে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী না হতে পেরে অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন প্রয়াত কংগ্রেস নেতা মাধবরাও সিন্ধিয়ার ছেলে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। কিছুদিন আগে তিনি দলবদল করেন। তাঁর সঙ্গে ইস্তফা দেন ২২ জন বিধায়ক। এরপর কমলনাথ সরকার সংখ্যালঘু হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। কমলনাথ এদিন বলেন, “রাজ্যপাল আমাকে বলেছেন, বিধানসভার কাজকর্ম যেন মসৃণভাবে চলে। আমি তাঁকে বলেছি, সোমবার সকালে এব্যাপারে স্পিকারের সঙ্গে কথা বলব।”

    কমলনাথ আগেই বলেছিলেন, গরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য যথেষ্ট সংখ্যক বিধায়ক তাঁর পক্ষে আছেন। তিনি দলের বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। পরে নির্দল বিধায়ক প্রদীপ জয়সোয়াল বলেন, “আমাদের পক্ষে যথেষ্ট সংখ্যক বিধায়ক আছেন। মুখ্যমন্ত্রী আত্মবিশ্বাসী। অপেক্ষা করুন। দেখুন কী হয়।

    কংগ্রেস তার বিধায়কদের জয়পুরে পাঠিয়ে দিয়েছিল। পরে তাঁদের ভোপালে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। অন্যদিকে কংগ্রেসের বিদ্রোহী বিধায়করা রয়েছেন বেঙ্গালুরুতে। কংগ্রেসের অভিযোগ, তাদের বিধায়কদের জোর করে বেঙ্গালুরুতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিবারের লোকজনও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।

    কংগ্রেসের এক মন্ত্রী বলেন, বেঙ্গালুরুতে আমাদের যে বিধায়কদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তাঁরা রীতিমতো আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তাঁদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমাদের দু’জন মন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। পুলিশ তাঁদের হেনস্থা করেছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More