শনিবার, মার্চ ২৩

আমাদের বাবাকেও জঙ্গিরা মেরেছিল, নিহত সৈনিকের বাড়িতে গিয়ে বললেন রাহুল

দ্য ওয়াল ব্যুরো : সিআরপিএফের জওয়ান অমিত কুমার কোরি গত সপ্তাহে পুলওয়ামায় জঙ্গি হানায় নিহত হন। বুধবার উত্তরপ্রদেশের শামলিতে তাঁর বাড়িতে যান কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী ও তাঁর বোন তথা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়ঙ্কা বঢরা। সেখানে রাহুল বলেন, আমার বোন বলছিল, একই ঘটনা ঘটেছিল আমাদের বাবার ক্ষেত্রেও। আমরা আপনাদের ব্যথা বুঝি।

১৯৯১ সালে এলটিটিই-র আত্মঘাতী বিস্ফোরণে নিহত হন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। রাহুল সেকথাই উল্লেখ করেছেন। পুলওয়ামাতেও জঙ্গি সংগঠন জইশ ই মহম্মদ আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল।

এদিন শহিদের বাড়িতে যাওয়ার সময় রাহুল ও প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এবং রাজ বব্বর। মৃত সৈনিকের স্মরণে তাঁর বাড়িতে গায়ত্রী মন্ত্র পাঠ হয়। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান ওঠে। মৃতের পরিবারের সদস্যদের রাহুল সান্ত্বনা দেন।

রাহুল বলেন, আমরা আপনাদের সঙ্গে পাঁচ মিনিট বসতে চাই। আপনাদের বলতে চাই, এই শোকের সময়ে আমরা আপনাদের পাশে আছি। আমরা জাতির পক্ষ থেকে আপনাদের কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। ভারত ভালোবাসা ও শুভেচ্ছার দেশ।

এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় কংগ্রেস একটি ছবি পোস্ট করেছে। তাতে দেখা যায়, রাহুল ও জ্যোতিরাদিত্য মৃত সৈনিকের ছবিতে মালা দিচ্ছেন। কংগ্রেস বলেছে, তাদের সর্বোচ্চ নেতা আচমকাই নিহত সিআরপিএফ জওয়ানের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তিনি এর মাধ্যমে বার্তা দিতে চান, শহিদদের নিয়ে রাজনীতি করা ঠিক নয়।

১৪ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সিআরপিএফের কনভয়ে জঙ্গি হানা ঘটে। আত্মঘাতী বিস্ফোরণে নিহত হন ৪০ জনের বেশি জওয়ান। তার পরে দেশ জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।

পরে রাহুল গান্ধী সোশ্যাল মিডিয়ায় আর একটি ছবি পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যায়, প্রচারের ফাঁকে রাস্তার ধারে ধাবায় বসে আছেন কংগ্রেস সভাপতি। সেই ধাবার সাইনবোর্ডে লেখা আছে শিব শক্তি ধাবা। সেখানে রাহুলরা চা খাচ্ছেন। রাহুলের অদূরে দাঁড়িয়ে আছেন এসপিজির কয়েকজন কর্মী।

এদিন প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে দেখা করতে আসেন কয়েকজন মহিলা। কয়েকটি শিশুও ছিল তাঁদের সঙ্গে। প্রিয়ঙ্কা তাদের সঙ্গে সেলফি তোলেন। এক মহিলাকে তিনি জিজ্ঞাসা করেন, আপনাদের গ্রাম এখান থেকে কত দূরে? তাঁকে একটি প্লেটে চিপস দেওয়া হয়। একটি শিশুও সেই প্লেট থেকে চিপস তুলে খায়। পরে রাহুলকেও সেই প্লেট থেকে খেতে দেখা যায়।

Shares

Comments are closed.