ছোট শিল্পের জন্য ঋণ, কেন্দ্র জানাল নতুন নিয়ম ও আবেদনের পদ্ধতি

গত ১ জুন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পের সংজ্ঞা বদলে সিলমোহর মিলেছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: দীর্ঘ লকডাউনের ফলে দেশের শিল্প সংস্থাগুলি সংকটের মুখে পড়েছে। বেশি সমস্যায় ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি (এমএসএমই) শিল্পগুলি। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকার এই সব শিল্পের পাশে দাঁড়াতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে। বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ঋণ দেওয়ারও ব্যবস্থা হয়েছে। একই সঙ্গে পঞ্চম দফার লকডাউনের শুরুতেই তিন ধরনের শিল্পের সংজ্ঞা বদল করা হয়েছে।

    গত ১ জুন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পের সংজ্ঞা বদলে সিলমোহর মিলেছে। নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, এখন থেকে ১ কোটি টাকা বিনিয়োগ এবং ৫ কোটি টাকার টার্নওভার থাকলে সেটা হবে ক্ষুদ্র শিল্প। ১০ কোটি টাকা বিনিয়োগ আর ৫০ কোটি টাকার টার্নওভার হলে সেটা হবে ছোট শিল্প। আর ৫০ কোটি টাকার বিনিয়োগে ২৫০ কোটি টাকার টার্নওভারে হবে মাঝারি শিল্প। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে অনেক বেশি সংস্থা এমএসএমই-র আওতায় এল।

    আরও পড়ুন

    পরিযায়ী শ্রমিকদের অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হোক, কেন্দ্রের কাছে দাবি মমতার

    এই সংস্থাগুলির জন্য ঋণ দিতে পারবে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, এলাহাবাদ ব্যাঙ্ক, সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, বাজাজ ফিনসার্ভ, ওরিয়েন্টাল ব্যাঙ্ক অফ কমার্স, ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক।

    আধার নম্বর ব্যবহার করে এই ঋণের জন্য আবেদন করতে হবে। দেখে নিন পর পর কী করতে হবে–

    ১। সবার আগে udyogaadhaar.gov.in ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে এমএসএমই হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

    ২। এবার আধার নম্বর, সংস্থার নাম, ঠিকানা ইত্যাদি দিলে ওটিপি আসবে।

    ৩। আধারের সঙ্গে যুক্ত ফোনেই আসবে ওটিপি। সেটি নির্দিষ্ট জায়গায় দিয়ে ‘ভ্যালিডেট’ লেখায় ক্লিক করতে হবে।

    ৪। এবারও সংস্থা সম্পর্কে আরও কিছু বিবরণ দিতে হবে। সেসব দেওয়ার পরে ‘সাবমিট’ ও ‘কনফার্ম’ করতে হবে।

    ৫। চূড়ান্ত সাবমিশনের পরে আসবে একটি রেজিস্ট্রেশন নম্বর। যার ভিত্তিতে ঋণ মিলবে।

    কিছু কিছু ডকুমেন্টও জমা দিতে হবে আবেদনের সঙ্গে।

    ১। পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড ইত্যাদির যে কোনও একটি লাগবে পরিচয় পত্র হিসেবে।

    ২। ঠিকানার জন্যও একটি প্রমাণ লাগবে। টেলিফোন বা বিদ্যুতের বিল, রেশন কার্ড, পাসপোর্ট, ট্রেড লাইসেন্স, লিজ এগ্রিমেন্ট, সেলস ট্যাক্স সার্টিফিকেটের মধ্যে যে কোনও একটা লাগবে।

    ৩। বয়সের প্রমাণ হিসেবে পাসপোর্ট, ভোটার কার্ড বা ছবি-সহ প্যান কার্ড লাগবে।

    ৪। এছাড়াও ১২ মাসের ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট, বিজনেস রেজিস্ট্রেশনের নথি, মালিকের প্যান কার্ড, পার্টনারশিপ ডিড কপি, কোম্পানির প্যান কার্ড, শেষ দু’বছরের ব্যালেন্স শিট, সেলস ট্যাক্স ও মিউনিসিপ্যাল ট্যাক্সের নথি লাগবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More