উত্তরপ্রদেশে উপনির্বাচন: প্রচারে ম্যাজিক, আজম খানের শক্ত ঘাঁটি লক্ষ্য বিজেপির

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছিল বেড়াল, হয়ে গেল রুমাল – ব্যাপারটা অনেকটা এইরকম।  হাতে ছিল সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেসের পতাকা।  দুয়ে মিলে হয়ে গেল বিজেপির পতাকা।  ভোটের জনসভায় এসে এমন ম্যাজিক দেখে দর্শকরা হাততালিতে ফেটে পড়লেন।  আজম খান তথা সমাজবাদী পার্টির দুর্গ রামপুরে এই ভাবে ভোট প্রচার করছে বিজেপি।  এক সাংবাদিক এই প্রচারের ভিডিয়োটি ক্যামেরাবন্দি করেছেন।

সমাজবাদী পার্টির প্রথম সারির নেতা আজম খানের আসনে জিততে চাইছে বিজেপি।  রামপুরের ন’বারের বিধায়ক আজম খান রামপুর লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়ে সাংসদ হয়েছেন, তাই বিধানসভা আসনটি ফাঁকা হয়ে যায়।  এই আসনে উপনির্বাচন সামনেই।  লোকসভা ভোটে বিজেপি ভালো ফল তো করেইছে, ভোটপণ্ডিতদের সব হিসাব, জোটের সব অঙ্ক ভুল প্রমাণ করে উত্তরপ্রদেশেও দারুণ ফল করেছে তারা।  এখন তাদের লক্ষ্য মুলায়ম সিংয়ের ডান হাত আজম খানের দুর্গে ধস নামানো।  এই আসনে বিজেপি হারলে তাদের কোনও ক্ষতি নেই, কিন্তু সমাজবাদী পার্টি এই আসনটি হারালে সেটি হবে তাদের কাছে বড় ধাক্কা।

উত্তরপ্রদেশে একাধিক বার রাজত্ব করেছে বিজেপি।  বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে প্রধান তিন বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজ পার্টি ও কংগ্রেসকে কার্যত ধুয়েমুছে দিয়ে।  তবে কোনও দিনই জয়ী হতে পারেনি রামপুর আসনে।  এবার সেখানে বিজেপি প্রার্থী অজয় দিবাকরকেও লড়তে হচ্ছে আজম খানের স্ত্রী তানজিম ফতিমার সঙ্গে।

মাত্র একটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন, যেখানে হারলে বিজেপির কিছুই যায়-আসে না, সেখানেও বিজেপি প্রার্থীর হয়ে প্রচারে যাবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।  অর্থাৎ এই আসনে সম্মানের লড়াইয়ে আজম খানকে হারাতে চাইছে বিজেপি।

গত লোকসভা ভোট থেকে এখনও পর্যন্ত আজম খানের বিরুদ্ধে ৮৪টি মামলা করেছে পুলিশ।  এর মধ্যে জবরদখল থেকে ছাগল-মুরগি চুরিও রয়েছে।  অন্তত ২৯টি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন। এখনও অবশ্য পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেনি।  আজম খানের ছেলে আবদুল্লা আজম খান নিজে বিধায়ক, তাঁর বিরুদ্ধেও মামলা চলছে।

স্থানীয় পুরসভার বিজেপি কাউন্সিলর এখন ম্যাজিক দেখিয়ে বেড়াচ্ছেন প্রচারের মঞ্চ থেকে।  পরনে তাঁর গেরুয়া জ্যাকেট, অকপটে বের করে নেন সমাজবাদী পার্টি আর কংগ্রেসের আলাদা পতাকা – বিজেপির প্রচারমঞ্চে তা মোটেই খাপ খায় না। তাই দর্শকরা যে খুব খুশি হননি তা তাঁদের দেখলেই বোঝা যায়।  পরমুহূর্তেই সেই দুই পতাকা যেই বদলে গেল বিজেপির পতাকায়, তখনই কয়েক হাজার লোকের কানফাটা হাততালি।  প্রশ্ন হল, বাস্তবে ভোটাররা রং বদলাবেন তো?

লোকসভা ভোটে আজম খানের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন জয়া প্রদা।  তখন জয়া প্রদার বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য করে সমালোচিত হয়েছিলেন আজম খান।  জয়া প্রদা বলেছেন, আগে বার মানুষ ভুল করেছিলেন, এবার যেন তাঁরা সেই ভুল আর না করেন।

http://www.thewall.in/pujomagazine2019/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87/

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More