করোনার ওষুধে থাবা, গোটা বিশ্বের ‘রেমডিসিভির’ স্টক একাই তুলে নিল আমেরিকা

এই মুহূর্তে মনে করা হচ্ছে রেমডিসিভির কোভিড-১৯ চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি ফল দিচ্ছে। এই ওষুধের যতটা উৎপাদন তার সবটা আমেরিকার এখনই দরকার না হলেও আগাম প্রস্তুতির জন্য জন্য মোট স্টকের প্রায় ষোলো আনাই নিজেদের ঘরে তোলার ব্যবস্থা পাকা করে ফেলল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাস মোকাবিলায় লড়ছে গোটা বিশ্ব। সব দেশেরই প্রয়োজন ওষুধ। আর কোভিড-১৯ মোকাবিলার অন্যতম প্রধান ওষুধ রেমডিসিভির এর স্টক একা আমেরিকাই তুলে নিলে।

    এই মুহূর্তে মনে করা হচ্ছে রেমডিসিভির কোভিড-১৯ চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি ফল দিচ্ছে। এই ওষুধের যতটা উৎপাদন তার সবটা আমেরিকার এখনই দরকার না হলেও আগাম প্রস্তুতির জন্য জন্য মোট স্টকের প্রায় ষোলো আনাই নিজেদের ঘরে তোলার ব্যবস্থা পাকা করে ফেলল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। আগামী তিন মাসে যে পরিমাণে ওষুধ লাগতে পারে সেটা একসঙ্গে আমেরিকা তুলে নিয়েছে বলে খবর।

    আরও পড়ুন

    আরামবাগ টিভির সম্পাদকের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি, সফিকুলের পাশে বিশিষ্টরা

    জুলাই মাসে রেমডিসিভির প্রস্তুতকারক সংস্থা জিলেড সায়েন্সেস যত ওষুধ তৈরি করবে তার গোটা স্টকটাই নেওয়ার জন্য অর্ডার দিয়েছে আমেরিকা। শুধু জুলাই মাসের উৎপাদনই নয়, অগস্ট ও সেপ্টেম্বরেও ওই সংস্থার উৎপাদিত ওষুধের ৯০ শতাংশ তারা কিনে নেবে।

    বরাত পাওয়া ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থার পক্ষে জানানো হয়েছে, এই ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসার জন্য রোগী প্রতি মার্কিন মুদ্রায় খরচ পড়বে আড়াই হাজার ডলারের মতো। তাদের তৈরি করা প্রায় সব রেমডিসিভির ওষুধ যে আগামী তিন মাসের জন্য আমেরিকাকেই সরবরাহ করা হবে সেকথাও স্বীকার করে নিয়েছে জিলেড সায়েন্সেস। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই গ্রুপের ওষুধের উৎপাদন কতটা বাড়ানো যায় সে ব্যাপারে বিশ্বের অন্য কয়েকটি ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থার সঙ্গে তারা কথা বলছে। উন্নয়নশীল দেশগুলির হাতে কতটা কম দামে এই ওষুধ পৌঁছে দেওয়া যায়, তানিয়েও কথাবার্তা চলছে।

    মার্কিন হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসেস (এইচএইচএস) ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থার থেকে পাঁচ লক্ষ ট্রিটমেন্ট কোর্স ইতিমধ্যেই আমেরিকার জন্য নিয়ে নিয়েছে। এইচএইচএস-এর মুখ্য সচিব আলেক্স আজহার এ বিষয়ে জানিয়েছেন, আমেরিকার করোনাভাইরাস আক্রান্ত মানুষের চিকিৎসায় যাতে কোনও ভাবেই রেমডিসিভির ওষুধের অভাব না হয় সেটা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    এটা ঠিক যে, করোনাভাইরাসে পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১০ লাখের কাছাকাছি। আর মৃতের সংখ্যা প্রায় সওয়া এক লাখ। আগামী নভেম্বর মাসে আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। তার আগে যেনতেন প্রকারে এই অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনতে বেপরোয়া ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর তাই আমেরিকা এই পদক্ষেপ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More