পুলিশের সামনেই গুলি করে খুন, কোর্টে স্যারেন্ডার অ্যাপ্লিকেশন করল খুনি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : অভিযোগ, পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের কর্তাদের সামনেই এক ব্যক্তিকে গুলি করে মেরেছিল ধীরেন্দ্র সিং। তার বাড়ি উত্তরপ্রদেশের বালিয়া জেলায়। তাদের গ্রামের কয়েকজনের সঙ্গে তার তুমুল তর্কবিতর্ক হয়। তখনই সে এক ব্যক্তিকে গুলি করে মারে বলে অভিযোগ। এবার সে স্থানীয় আদালতের সামনে ‘স্যারেন্ডার অ্যাপ্লিকেশন’ ফাইল করল। আইনত, কোনও অভিযুক্ত সরাসরি কোর্টে স্যারেন্ডার অ্যাপ্লিকেশন করতে পারে। সেক্ষেত্রে আদালত স্থির করবে তাকে পুলিশ হেপাজতে পাঠানো হবে না জেলে।

বালিয়ার ওই হত্যাকাণ্ডে পুলিশ এখনও পর্যন্ত দু’জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের একজন ধীরেন্দ্র সিং-এর ভাই। আটক করেছে আরও পাঁচজনকে। ধীরেন্দ্র সিং ও আরও পাঁচজন এখন গা ঢাকা দিয়ে আছে। উত্তরপ্রদেশের আজমগড় রেঞ্জের পুলিশের ডিআইজি ঘোষণা করেছেন, কেউ ধীরেন্দ্রর সম্পর্কে জানাতে পারলে তাকে পুরস্কার দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা।

ধীরেন্দ্র সিং বিজেপির বিধায়ক সুরেন্দ্র সিং-এর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। ওই বিধায়ক পুলিশকে বলেছেন, এক সপ্তাহের মধ্যে ক্রস এফআইআর দাখিল করতে হবে। অর্থাৎ এফআইআরে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্যও নথিভুক্ত করতে হবে। পুলিশকে হুমকি দিয়ে বিধায়ক বলেছেন, ক্রস এফআইআর না করলে তাঁরা আন্দোলনে নামবেন।

গত শুক্রবার রাতে ধীরেন্দ্র সিং-এর একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। তাতে ধীরেন্দ্র সব অভিযোগ অস্বীকার করে। তার দাবি, প্রশাসনের জন্যই বালিয়াতে হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছিল। ভিডিওতে ধীরেন্দ্রকে বলতে শোনা যায়, “আমি জানি না কে গুলি চালিয়েছিল। আমি অফিসারদের কাছে আর্জি জানাচ্ছি, আমার পরিবারকে রক্ষা করুন। আমি একজন সৈনিক। আমি সবসময় দেশকে সেবা করায় বিশ্বাসী। আমি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাচ্ছি, পুরো ঘটনার যথাযথ তদন্ত হোক।”

বিধায়ক সুরেন্দ্র সিং-ও ধীরেন্দ্রর সমর্থনে বলেন, সে আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালিয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, জয়প্রকাশ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে ধীরেন্দ্রর ঝগড়া হয়েছিল। ধীরেন্দ্র ছিল বিজেপির স্থানীয় প্রাক্তন সেনাকর্মী শাখার প্রেসিডেন্ট। সে জয়প্রকাশকে লক্ষ্য করে তিনবার গুলি চালায়।

ধীরেন্দ্রর দাবি, সে এমন কিছু করেনি যা থেকে হিংসা ছড়াতে পারে। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “আমি স্থানীয় প্রশাসনকে আগেই বলেছিলাম অশান্তি হতে পারে। ওই হিংসাত্মক ঘটনায় জেলা প্রশাসনের অফিসাররা জড়িত।” ধীরেন্দ্রর অভিযোগ, প্রশাসনকে সতর্ক করা সত্ত্বেও গ্রামে যথেষ্ট সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়নি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More