অপহরণ বা ধর্ষণ নয়, মুসলিম বলেই হাত কেটে নেওয়া হয়েছে! দাবি উত্তরপ্রদেশের ধর্ষণে অভিযুক্ত যুবকের

২৪

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সপ্তাহ দুয়েক আগে উদ্ধার হয়েছিলেন হাত কেটে নেওয়া এক যুবক। সে যুবকের বিরুদ্ধে নাবালিকাকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছিলেন স্থানীয়রা। কিন্তু এবার অভিযুক্ত যুবকের পরিবার পাল্টা দাবি করল, অভিযোগ সত্যি নয়। মুসলমান হওয়ার কারণেই হাত কেটে নেওয়া হয় যুবকের!

গত ২৩ অগস্ট উত্তরপ্রদেশের শাহরানরপুরের ঘটনায় পুলিশ জানিয়েছিল, রেলকলোনি এলাকায় এক ঘুমন্ত শিশুকে অপহরণ করার অভিযোগ রয়েছে ২৮ বছরের ওই যুবক ইখলাকের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে। সাত বছরের মেয়েটিকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে লুকিয়ে রাখে সে।

পরে মেয়েটির পরিবার তাকে উদ্ধার করার পরে দাবি করে, তাদের বাচ্চাকে ধর্ষণও করেছে ওই যুবক। তবে তাকে ধরা যায়নি, মেয়েক উদ্ধার করতে পারলেও সে পালায়। এই ঘটনায় শিশুর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়।

খোঁজ শুরু হয় অভিযুক্ত ইখলাকের বিরুদ্ধে। ঘটনার ঠিক পরের দিন রেললাইনের পাশ থেকে হাতকাটা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রেলপুলিশ। এর পরে পুলিশ দাবি করে, ওই শিশুর পরিবারের লোকজনই যুবকের হাত কেটে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখেছিল। এই অভিযোগ যদিও স্বীকার করেনি শিশুর পরিবার। গ্রেফতার করা হয় যুবককে।

জেরার মুখে অভিযুক্ত ইখলাক দাবি করে, সে কাউকে অপহরণ বা ধর্ষণ করেনি। সে শাহারানপুর থেকে চাকরির খোঁজে হরিয়ানার পানিপথে গিয়েছিল সে। সেখানে বেশ কয়েকজন তার ধর্ম সম্পর্কে নানা প্রশ্ন করে। হাতে ৭৮৬ লিখে উল্কি আঁকা আছে দেখে বুঝতে পারে, ওই যুবক মুসলমান।

এর পরেই তার ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। তার দাবি, তার হাত কেটে নেয় হরিয়ানার ওই আক্রমণকারীরা। যুবকের পরিজনেরাও একথা বলেই একটি মামলা রুজু করেছেন। তাঁদের দাবি, পুলিশ সাজানো অভিযোগ এনেছে যুবকের বিরুদ্ধে।

এর ফলে শিশুর পরিবারের যে ধর্ষণের অভিযোগ এবং যুবকের ধর্মীয় বিদ্বেষের দাবি– দুইই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আদৌ শিশুকে অপহরণ করে ধর্ষণের কারণে সে রোষের মুখে পড়েছিল, নাকি মুসলমান হওয়ার জন্যই অত্যাচার করে হাত কেটে নেওয়া হয়েছে যুবকের, তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More