‘প্রাপ্তবয়স্করা ইচ্ছামতো জীবনসঙ্গী বেছে নিতে পারে’, সাক্ষীর বিয়ে মানলেন বিচারপতি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত সপ্তাহে উত্তরপ্রদেশের বরেলির এক বিধায়কের মেয়ে অভিযোগ করেন, ভিন জাতে বিয়ে করার জন্য তাঁদের বিরুদ্ধে বাবা গুন্ডা লাগিয়েছেন। সোমবার পুলিশই পাহারা দিয়ে বিধায়কের মেয়ে সাক্ষী মিশ্র ও তাঁর স্বামী অজিতেশ কুমারকে এলাহাবাদ হাইকোর্টে হাজির করে। বিচারপতি সিদ্ধার্থ বর্মা বলেন, প্রাপ্তবয়স্কদের জীবন সঙ্গী বেছে নেওয়ার অধিকার আছে। পুলিশকে তিনি নির্দেশ দেন, সাক্ষীর বাবা যেন তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ না করতে পারেন।

    কোর্টে সংক্ষিপ্ত শুনানির পরে অজিতেশ যখন কোর্ট থেকে বেরোচ্ছেন, তখনই তাঁর ওপরে কয়েকজন ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাঁকে মারধর করে। তখন সাক্ষী ও অজিতেশ ফের এজলাসে ঢুকে বিচারপতিকে এই ঘটনা জানান। বিচারপতি বর্মা প্রয়াগরাজের পুলিশ সুপারকে ডেকে পাঠান। তাঁকে নির্দেশ দেন, ওই দম্পতির জন্য যেন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়।

    ২৩ বছরের সাক্ষী গত ৪ জুলাই ২৯ বছরের অজিতেশ কুমারকে বিয়ে করেন। এক মন্দিরে তাঁদের বিয়ে হয়। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় সাক্ষী এক ভিডিও পোস্ট করেন। তাতে বলেন, ভিন জাতে বিয়ে করার জন্য তাঁরা বিপদে পড়েছেন। তিনি বলেন, মাননীয় বিধায়ক পাপ্পু ভারতাউলজি এবং ভিকি ভারতাউলজি, দয়া করে আমাদের শান্তিতে বাঁচতে দিন।

    পরে তিনি বলেন, বাবা, তুমি রাজীব রানার মতো গুন্ডাকে আমাদের পিছনে লাগিয়েছ। আমরা বিপদে পড়েছি। লুকিয়ে থাকতে থাকতে আমরা ক্লান্ত। তুমি শান্তিতে থাক। রাজনীতি কর। আমি সুখী ও স্বাধীন হতে চাই।

    আর একটি ভিডিওতে সাক্ষী বলেন, আমি সবাইকে বলতে চাই, ভবিষ্যতে যদি আমাদের কোনও ক্ষতি হয়, তাহলে আমার বাবা, ভিকি ভারতাউল ও রাজীব রানা দায়ী থাকবেন। আমার বাবাকে কেউ সাহায্য করবেন না। বাবা, তুমি নিজের মানসিকতা বদলাও।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More