পুলিশই জেলে বন্দি বিধায়ককে জানাত, কখন কোথায় যাচ্ছে ধর্ষিতা কিশোরী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ‘বাহুবলী’ বিধায়ক কুলদীপ সেনগারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলার পরে পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছিলেন কিশোরী ধর্ষিতা। সেইমতো তাকে নিরাপত্তারক্ষী দেওয়া হয়েছিল। সেই রক্ষীরাই জেলবন্দি বিধায়ককে জানিয়ে দিতেন, ধর্ষিতা ও তার পরিবার কখন কোথায় যাচ্ছে। গত রবিবার ধর্ষিতা ও তার পরিবার এক দুর্ঘটনায় পড়ে। দু’জন মারা যায়। ধর্ষিতাও গুরুতর আহত হয়। পুলিশ সোমবার ওই ঘটনায় যে এফআইআর করেছে, তাতেই জানানো হয়েছে, ধর্ষিতার রক্ষীরাই তার গতিবিধি সম্পর্কে বিধায়ককে খবর দিতেন।

রবিবার রায় বরেলি থেকে আসার পথে একটি ট্রাক অভিযোগকারিণীদের গাড়িতে ধাক্কা মারে। গাড়িটির নম্বর প্লেটের ওপরে কালো রং করা ছিল। মেয়েটির জন্য যে রক্ষীদের মোতায়েন করা হয়েছিল, তাঁদের কেউ রবিবার তার গাড়িতে ছিলেন না। সুরেশ নামে এক রক্ষী বলেছেন, মেয়েটির মা আমাদের বলেছিল, গাড়িতে জায়গা নেই। তোমাদের যেতে হবে না। আমরা পাঁচজন যাচ্ছি। ভয়ের কিছু নেই।

এফআইআরে বলা হয়েছে, কুলদীপ সেনগার ও তাঁর ঘনিষ্ঠরা ওই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। ধর্ষিতার পরিবারের ওপরে তাঁরা ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করতেন যাতে মামলা তুলে নেওয়া হয়।

সোমবার অভিযোগকারিণীর মা বলেন, ওই মামলায় অপর এক অভিযুক্তের ছেলে শাহি সিং এবং গ্রামের অপর এক যুবক নিয়মিত তাঁদের হুমকি দিত। তিনি জানতে পেরেছেন, বিধায়কই জেল থেকে তাদের হুমকি দিতে বলতেন। পুলিশ জানিয়েছে, তারা এই অভিযোগ নিয়ে তদন্ত করছে।

কুলদীপ সেনগার চারবার বিধায়ক হয়েছেন। তিনি বানগেরমাউ কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হন। ধর্ষণের অভিযোগে তিনি এক বছরের বেশি জেলে আছেন।

অভিযোগকারিণীর বাবাকে বেআইনি অস্ত্র রাখার অভিযোগে পুলিশ ধরেছিল। তিনি পুলিশের হেপাজতে মারা গিয়েছেন। পুলিশ ধরার আগে তিনি অভিযুক্তের ভাই অতুল সেনগারের হাতে মার খেয়েছিলেন। অতুলও এখন জেলে আছেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More