বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪

জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ কেন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল? আপত্তি চিনের

দ্য ওয়াল ব্যুরো : বুধবার মাঝরাত থেকে পৃথক রাজ্য হিসাবে জম্মু-কাশ্মীরের অবলুপ্তি ঘটল। তৈরি হল জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ নামে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। বৃহস্পতিবার তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে চিন। তাদের দাবি, ভারত যেভাবে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা লোপ করেছে, তা বেআইনি ও অচল।

বেজিং-এর দাবি, ভারত চিনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে। এর ফলে বাস্তব পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না।

গত ৫ অগস্ট সংবিধানের ৩৭০ ধারার অবলুপ্তি ঘটানো হয়। তার প্রায় তিন মাস পরে জম্মু-কাশ্মীর রাজ্য ভেঙে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি হল। এদিন চিনের বিদেশ মন্ত্রকের সাংবাদিক বৈঠকের সময় কাশ্মীর নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গেং শুয়াং বলেন, “ভারত সরকার ঘোষণা করেছে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ দু’টি তথাকথিত কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত হল। কিন্তু চিনেরও কিছুটা অংশ লাদাখের অন্তর্গত।”

ভারতের নিন্দা করে গেং শুয়াং বলেন, “চিন ভারতের এই পদক্ষেপের কড়া নিন্দা করছে। ভারত একতরফা নিজের আইন ও প্রশাসনিক অঞ্চলগুলি বদলে ফেলেছে। তারা চিনের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। এই পদক্ষেপ বেআইনি। ভারত যাই করুক, বাস্তবে চিনের জমি চিনেরই অধীনে থাকবে।”

চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র আর্জি জানান, ভারত যেন তাঁদের সার্বভৌমত্ব মেনে চলে। তাঁর কথায়, “আমরা ভারতের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, তারা যেন চিনের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব মেনে চলে। প্রতিটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তিকে মান্যতা দেয়।  সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।” গেং সীমান্তে আকসাই চিন অঞ্চলের কথা উল্লেখ করেন। ভারত দাবি করে আকসাই চিন তার অংশ। কিন্তু ওই অঞ্চলটি চিনের শাসনে রয়েছে।

চিন ৬ অগস্ট ৩৭০ ধারা বিলোপের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছিল, ভারতের এই পদক্ষেপ ‘গ্রহণযোগ্য নয়’। ভারত এককথায় চিনের আপত্তি উড়িয়ে দিয়ে বলে, আমরা নিজেদের দেশের অভ্যন্তরে কী করব না করব তাতে চিনের বলার কিছু থাকতে পারে না।

Comments are closed.