চাল, ডাল, আলু আর অত্যাবশকীয় পণ্য নয়, কৃষকদের বড় সুবিধা করে দিল মোদী সরকার

বুধবার পণ্য আইনে বদল আনার প্রস্তাবে সিলমোহর দেওয়ার পাশাপাশি, নয়া অর্ডিন্যান্স জারি করে কৃষিপণ্যের ব্যবসা করা বড় মাপের বেসরকারি সংস্থাগুলি যাতে সরাসরি চাষিদের থেকে ফসল কিনে নিতে পারে, সেই রাস্তাও প্রশস্ত করল নরেন্দ্র মোদী সরকার।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: বড় সিদ্ধান্ত মোদী মন্ত্রিসভার। বুধবার ‘দ্য ফার্মিং প্রডিউস ট্রেড অ্যান্ড কমার্স (প্রমোশন অ্যান্ড ফেসিলিটেশন) অর্ডিন্যান্স ২০২০’ অনুমোদন করেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এর ফলে কৃষক এবং ব্যবসায়ীরা পছন্দ মতো কৃষি পণ্য কেনাবেচার স্বাধীনতা পাবেন। এই অর্ডিন্যান্সের ফলে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ পড়ল চাল, গম, ডালের মতো শস্যবীজ এবং আলু, পেঁয়াজ, ভোজ্যতেল, তৈলবীজ। এর ফলে এককথায় কৃষিপণ্যের বাধাহীন বাণিজ্যের নতুন দরজা খুলে দিল কেন্দ্র।

    বুধবার পণ্য আইনে বদল আনার প্রস্তাবে সিলমোহর দেওয়ার পাশাপাশি, নয়া অর্ডিন্যান্স জারি করে কৃষিপণ্যের ব্যবসা করা বড় মাপের বেসরকারি সংস্থাগুলি যাতে সরাসরি চাষিদের থেকে ফসল কিনে নিতে পারে, সেই রাস্তাও প্রশস্ত করল নরেন্দ্র মোদী সরকার।

    আরও পড়ুন

    কোভিড মোকাবিলায় হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের ব্যবহার ফের শুরু করতে বলল হু, বন্ধ রাখার পক্ষে কোনও তথ্য মেলেনি পরীক্ষায়

    করোনাভাইরাস লকডাউনে ২০ লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণার সময়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন কেন্দ্রের এই পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন। সেই পরিকল্পনা মতোই প্রায় সাড়ে ছ’দশকের পুরনো অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন সংশোধন করল কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের দাবি, এই সংশোধনীর মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্র নতুন করে চাঙ্গা হবে, আয় বাড়বে কৃষকের। এত দিন ১৯৫৫ সালের অত্যাবশ্যকীয় আইনের ফলে যা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন কৃষকরা।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বিষয়টি ঘোষণা করে মন্ত্রী প্রকাশ জাভাড়েকর বলেন, আইন সংশোধনের ফলে সবরকম খাদ্যশস্য, খাদ্যবীজ, তৈলবীজ, পেঁয়াজ এবং আলুর মতো কৃষিপণ্যে যেমন বিনয়ন্ত্রণ হল, তেমনই ওই অর্ডিন্যান্সের ফলে কৃষকরা প্রক্রিয়াকরণকারী, সংগ্রহকারী, বড় পাইকার, রফতানিকারকদের কাছ থেকে উদ্বৃত্ত অর্থ নিজেদের হাতে পাবেন।

    করোনার মারে জেরবার কৃষকদের কথা মাথায় রেখে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন সংশোধনে অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এর ফলে এবার অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ পড়ল চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, গম, ভোজ্যতেল, তৈলবীজ।

    কৃষকরা এবার থেকে স্বাধীনভাবে নিজের উৎপাদিত ফসল যে কোনও বেসরকারি সংস্থা যেমন–শপিং মল বা অন্যান্য মজুতকারীদের কাছে সরাসরি বিক্রি করতে পারবেন। চাষিদের এখন আর শুধুই বিভিন্ন রাজ্যের কৃষিপণ্য বাজার কমিটি নিয়ন্ত্রিত মান্ডিতে গিয়ে ফসল বেচার বাধ্যবাধকতা থাকছে না।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More