কাশ্মীর নিয়ে কথা বলুক ভারত ও পাকিস্তান, চাইছে রাষ্ট্রপুঞ্জ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো:  কাশ্মীর সমস্যা সমাধান করতে কথা বলুক ভারত ও পাকিস্তান; যে সমাধানসূত্রই বার হোক না কেন, তাতে যেন উপত্যকার মানুষের মানবাধিকার রক্ষিত হয় – এই ভাষাতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তনিও গুতেরেস।  তাঁকে উদ্ধৃত করে নিউ ইয়র্কে এ কথা জানিয়েছেন তাঁর মুখপাত্র স্তেফানে দুয়ারিক।

    দুয়ারিক জানিয়েছেন, যখনই সুযোগ হবে তখনই এই দুই দেশের সঙ্গে কথা বলবেন।  তিনি বলেন, “সাধারণ সভার আগে এবং পরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাশ্মীর প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা করেছেন মহাসচিব।”

    বৃহস্পতিবারই আমেরিকা জানিয়েছিল যে তারা কাশ্মীরের অগ্রগতি দেখে খুশি তবে একই সঙ্গে কয়েকটি ব্যাপারে গভীর ভাবে উদ্বিগ্নও বটে।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার জন্য ভারপ্রাপ্ত সহকারী বিদেশ সচিব অ্যালিস ওয়েলস বলেন, “বন্দিদের মুক্ত করার জন্য ও  সমস্ত পরিষেবা স্বাভাবিক করার জন্য আমরা প্রতিনিয়তই চাপ দিয়ে যাচ্ছি, এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার পরিকল্পনা।”

    বিশেষ সুবিধা প্রত্যাহার করে জম্মু-কাশ্মীরকে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভেঙে দেওয়ার পর থেকেই নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন আশি লক্ষের বেশি মানুষ,  কোনও রকম ‘অভিযোগ ছাড়াই আটক’ করা হয়েছে রাজনৈতিক নেতাদের – এই পরিস্থিতিতে তাঁরা গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন বলে জানিয়েছেন ওয়েলস।

    গত ৫ অগস্ট সংবিধান থেকে অস্থায়ী ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে ভারত।  তখনই ঘোষণা করা হয়, জম্মু-কাশ্মীরকে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করা হবে। জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ। তার পর থেকেই কাশ্মীরকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকে পাকিস্তান। ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে ইসলামাবাদ থেকে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয় ভারতের রাষ্ট্রদূতকে। ভারত প্রথম থেকেই বলে আসছে, এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সিমলা চুক্তি অনুযায়ী, কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা হবে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে, এখানে তৃতীয় পক্ষ থাকবে না। পরে আরও স্পষ্ট ভাবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়ে দেন, আলোচনা হবে শুধুমাত্র পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে।

    ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপ নিয়ে গত মাসেই রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশনে সরব হয় পাকিস্তান, যদিও ভারত জানিয়ে দেয় এটা অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। তখনই দুই দেশকে শান্ত থাকতে অনুরোধ করেন গুরেরেস।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More