সোমবার, নভেম্বর ১৮

কাশ্মীর নিয়ে বিবৃতি দিক রাষ্ট্রপুঞ্জ, চিনের মতো চায় ব্রিটেনও

দ্য ওয়াল ব্যুরো : কাশ্মীর নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে ‘ঘরোয়া’ আলোচনা হয়েছিল গত সপ্তাহে। পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের বন্ধু চিন চাইছিল, রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ থেকে কাশ্মীর নিয়ে বিবৃতি দেওয়া হোক। যে দেশটি এখন নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি সেই পোল্যান্ড এই প্রস্তাবে রাজি হয়নি। কিন্তু এখনও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে চিন। মঙ্গলবার শোনা যায়, ব্রিটেনও সমর্থন করেছে চিনকে। তাতে অস্বস্তি বাড়ল ভারতের।

পাকিস্তান ও চিন চেয়েছিল, কাশ্মীর নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা হোক। কিন্তু নিরাপত্তা পরিষদের বাকি ১৪ সদস্য দেশ তাতে রাজি হয়নি। কাশ্মীর নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে ১৬ অগস্ট রুদ্ধদ্বার আলোচনা হয়। ১৯৭১ সালের পরে এই প্রথমবার রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারত-পাকিস্তানের একটি দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হল।

একটি সূত্রে খবর, নিরাপত্তা পরিষদে রুদ্ধদ্বার বৈঠকের সময়ই ব্রিটেন বলেছিল, কাশ্মীর নিয়ে বিবৃতি দেওয়া হোক। অন্যদিকে আমেরিকা, ফ্রান্স ও ডোমিনিকান রিপাবলিকের মতো নিরাপত্তা পরিষদের অপর তিন সদস্য প্রথমে কাশ্মীর নিয়ে আলোচনাই চায়নি। পরে বিবৃতি দেওয়ারও বিরোধিতা করেছে। ব্রিটেনের যুক্তি, নিরাপত্তা পরিষদ যদি এখন বিবৃতি না দেয়, চিন ও পাকিস্তান চেষ্টা করবে যাতে কাশ্মীর নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জে আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়। সেখানে বৈঠকের মিনিটস রেকর্ড করা হবে। আনিষ্ঠানিকভাবে বিবৃতিও দেওয়া হবে।

ব্রিটেন যে এমন অবস্থান নেবে, তা ভারত তো বটেই অন্যান্য অনেক দেশই ভাবতে পারেনি। ব্রিটিশ সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, আমরা নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে কারও পক্ষ নিইনি। পরে তিনি বলেন, কাশ্মীর নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের অবস্থান হল, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমেই ওই সমস্যার সমাধান খুঁজে পেতে হবে।

গত ১৫ অগস্ট লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসের বাইরে একদল লোক কাশ্মীর নিয়ে প্রতিবাদ জানায়। প্রতিবাদ একসময় হিংসাত্মক রূপ নেয়। ভারত কূটনৈতিক চ্যানেল মারফৎ ব্রিটেনকে তার উদ্বেগের কথা জানিয়েছে।

Comments are closed.