জাপানের ‘হাগিবিস’ প্রাণ কাড়ল ১১ জনের! টাইফুনের এমন তাণ্ডব আগে দেখেনি বিশ্ব, জানাল নাসা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে জাপানে। ক্রমেই তাণ্ডব বাড়াচ্ছে টাইফুন হাগিবিস। যদিও আবহবিদদের আশঙ্কা আগেই ছিল, এই ঝড়ের মোকাবিলা সহজ হবে না, বাস্তবে হলও তাই। এখনও পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও, তা আরও অনেকটা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের। নিখোঁজ বহু মানুষ। ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হয়েছে অনেককে।

    শনিবার বিকেলে জাপানের ইচিহারা শহরে আছড়ে পড়ে এই টাইফুন। ঝড়ের প্রথম ধাক্কায় একসঙ্গে ধ্বংস হয়ে যায় ১২টি বাড়ি। আরও শ’খানেক বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইচিহারার পরে দ্বিতীয় ক্ষতিগ্রস্ত শহর তোমিওকা। সেখান থেকে অনেকে নিখোঁজ। ক্ষতিগ্রস্ত চারটি বাড়ি থেকে ছ’জনকে উদ্ধার করা হয়েছে আশঙ্কাজনক অবস্থায়। গোতেম্বা শহরে এক জন ঝড়ের ধাক্কায় বড় ড্রেনে ভেসে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ১৬ লক্ষ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরানো হয়েছে বলে সরকারি সূত্রের খবর।

    শুধু প্রবল বেগে ঝড় আছড়ে পড়েছে তাই নয়, সেই সঙ্গে চলছে ভারী বৃষ্টিও। বিভিন্ন জায়গায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ধস নেমেছে বিভিন্ন রাস্তায়। উদ্ধারকাজ চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়।

    আবহাওয়া দফতরের তরফে কড়া সতর্কতা জারি করে বলা হয়েছে, এত বৃষ্টি এবং ঝড় এর আগে কখনও হয়নি জাপানে। টাইফুনের দাপটে সমুদ্রের জলস্তরও বাড়ছে। সুনামি পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। গোটা দেশের পরিবহণ ব্যবস্থা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা থমকে গিয়েছে। বাতিল করা হয়েছে কয়েকশো বিমান। ১৯৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় ফের আসতে পারে টাইফুন। রাস্তাঘাট সুনসান।

    শুধু জাপান প্রশাসন নয়, এই ঝড় নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছে নাসাও। নাসার তরফে জানানো হয়েছে এটাই শতাব্দীর ভয়ঙ্করতম ঘূর্ণিঝড় হতে চলেছে।

    চলতি মরসুমে এই নিয়ে ১৯টি টাইফুনের সম্মুখীন হল জাপান। গত বছরেও জাপানের টাইফুন বহু মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল। এবারের হাগিবিস নিয়ে তাই আগে থেকেই সতর্ক ছিল প্রশাসন। কিন্তু প্রকৃতির চরম তাণ্ডবে সে সতর্কতা উড়িয়ে বিধ্বস্ত অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে জাপান।

    পড়ুন দ্য ওয়ালের পুজো সংখ্যার বিশেষ লেখা…

    বাইকে চেপে পৃথিবীর ছাদ পামিরে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More