যাদবপুর নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত এসএফআই, সমালোচনায় বিদ্ধ সুজন চক্রবর্তী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে টানা ঘেরাওয়ের ঘটনায় কার্যত দ্বিধাবিভক্ত সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই। সংগঠনের রাজ্য কমিটি এবং বিশ্ববিদ্যালয় আঞ্চলিক কমিটির প্রেস বিবৃতিতেই সেই ফারাক স্পষ্ট হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। একই সঙ্গে পর্যবেক্ষকদের অনেকেই বলছেন, যাদবপুরের এসএফআইয়ের যা অবস্থান, তা সরাসরি চ্যালেঞ্জ করছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটকেও।

    কেন?
    এসএফআই রাজ্য কমিটির পক্ষ থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, তাতে লেখা হয়েছে, এই ঘটনা ‘অনভিপ্রেত’। আর বিশ্ববিদ্যালয় এলসি যে বিবৃতি দিয়েছে তাতে বলা হচ্ছে, “কেউ যদি মনে করেন যে আজকের ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক, তা হলে হয় তারা পরোক্ষে বিজেপির হয়ে কথা বলছেন, নয়তো তারা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐক্যবদ্ধ বাম প্রগতিশীল ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে বিজেপি আরএসএস-এর রাজনৈতিক সংঘর্ষের তাৎপর্য বুঝতে অক্ষম। বাবুল সুপ্রিয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার করতে আসতেই পারেন। এটা তার গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু ছাত্ররা বিক্ষোভ দেখাবে, এটাও তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার।”

    শুধু তা-ই নয়, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএফআই যে এ ব্যাপারে কট্টর অবস্থান নিয়েছে তা-ও পরিষ্কার করে দিয়েছে তারা। তাদের বক্তব্য, “বিক্ষোভ মেপে করা হলে, সেটা বিক্ষোভ নয়, নাটক হয়।আমরা নাটক করতে যাইনি, বিক্ষোভ দেখাতেই গেছিলাম।”

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র সেমিনারে আসা ও সেই সংক্রান্ত ঘটনাবলি বিষয়ে ভারতের ছাত্র ফেডারেশন যাদবপুর…

    Debraj Debnath এতে পোস্ট করেছেন বৃহস্পতিবার, 19 সেপ্টেম্বর, 2019

    ইতিমধ্যেই সংবাদ মাধ্যমে সিপিএম নেতা তথা যাদবপুরের বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী প্রতিক্রিয়া বাবুল কাণ্ডের প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। সিপিএমের অনেকেই মনে করছেন, সুজনবাবু কাঠগড়ায় তুলতে চেয়েছেন ছাত্রদের। বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন, এই উগ্রতা দল অনুমোদন করে না। তার পর থেকে সুজনবাবুর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তোপ দাগতে শুরু করেছেন বহু বামকর্মী। এবং তা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে।

    শুক্রবার বিকেলে মিছিলের ডাক দিয়েছে ছাত্র ঐক্য মঞ্চ। পর্যবেক্ষকদের অনেকে মনে করছেন, আন্দোলনের লাইন এবং স্টাইল নিয়ে সিপিএমের ভিতরের দ্বন্দ্ব নতুন নয়। সেটাই আরও একবার সামনে চলে এল। তাঁদের মতে, যাদবপুরের ছাত্র আন্দোলনের বাস্তবতা মাথায় রেখেই শুরু থেকে না হলেও পরে যুক্ত হয়ে যায় এসএফআই। এটা সেখানকার রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More