করোনা আতঙ্ক: ত্রিপুরা-বাংলাদেশ সীমান্তে কড়াকড়ি, গায়ে জ্বর থাকলেই ফেরানো হচ্ছে বাংলাদেশিদের

বাংলাদেশের ও ত্রিপুরার সীমান্তের দৈর্ঘ্য ৮৫৬ কিলোমিটার। এই গোটা সীমান্তের সব ক'টি চেকপোস্টেই কড়া নজরদারি চলছে করোনাভাইরাসের আতঙ্কে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশ থেকে সড়কপথে আসা কোনও নাগরিকের গায়ে জ্বর থাকলে তাঁকে ঢুকতে দিচ্ছে না ত্রিপুরা। এমনকি সীমান্তে যে হাট বসে, সেই হাটেও আসতে পারছেন না বাংলাদেশের কোনও অসুস্থ ব্যবসায়ী। সীমান্ত থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে তাঁদের।

    বাংলাদেশের ও ত্রিপুরার সীমান্তের দৈর্ঘ্য ৮৫৬ কিলোমিটার। এই গোটা সীমান্তের সব ক’টি চেকপোস্টেই কড়া নজরদারি চলছে করোনাভাইরাসের আতঙ্কে। বিএসএফ এবং শুল্ক দফতরের আধিকারিকরা কড়া হাতে বিষয়টি দেখছেন। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে নির্দেশ জারি করা হয়েছে, অন্য কোনও দেশের কোনও নাগরিককে এ দেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না। ভিসাও স্থগিত করা হয়েছে সমস্ত দেশের।

    এই অবস্থায় থার্মাল স্ক্রিনিং চলছে ত্রিপুরা-বাংলাদেশ সীমান্ত জুড়েও। কারও শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি দেখলেই তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে। তাঁরা বেশির ভাগই চট্টগ্রামের বাসিন্দা। বাংলাদেশে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েক জনের শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা চলছে তাঁদের।

    অন্যদিকে করোনাভাইরাসকে বিশ্বজোড়া মহামারী অর্থাৎ প্যানডেমিক বলে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যে দ্রুততার সঙ্গে সারা বিশ্বে এই সংক্রমণ ছড়াচ্ছে এবং মৃত্যুমিছিল দীর্ঘ হচ্ছে, তাতে আর হাল্কা ভাবে নেওয়া যাবে না এই অসুখকে। এই ঘোষণার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে আরও আঁটোসাঁটো হয়েছে সতর্কতা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More