নর্মদা অতিক্রম হৃদয়পুরের চন্দনের, হাঁটলেন ৪৬ দিনে ১,০০৭ কিলোমিটার

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : শেষ থেকে শুরু। অর্থাৎ মোহনা থেকে উৎস।

    নর্মদা নদীর গতিপথ ধরে হাঁটা।  দীর্ঘ  ১,০০৭ কিলোমিটার পথটি, ৪৬ দিনে হেঁটে ‘ইচ্ছামতো নর্মদা’ ট্রেকটি শেষ করলেন হৃদয়পুরের চন্দন বিশ্বাস। ট্রেকটি চন্দন  শুরু করেছিলেন নর্মদা নদীর মোহনা , গুজরাটের গাল্ফ অফ খাম্বাট থেকে ১৩ জুলাই । শেষ করলেন আজ ২৮ আগস্ট , দুপুর  কাঁটায় কাঁটায় সাড়ে এগারোটায়। ছত্তিশগড়ের বিশিষ্ট শৈবতীর্থ অমরকণ্টকের ‘মাই কি বাগিয়া’তে। যেটি নর্মদার নদীর উৎস।

    তাঁর কথায়, “যতই পড়াশুনা করে অভিযান করি , বাস্তবের রাস্তার সঙ্গে তা মেলে না। প্রতিকূলতা এসেছে, সেগুলোকে ওভারকাম করাটাও খুব কঠিন হয়নি।”  লো অল্টিচিউড এবং হাই অল্টিচিউড ট্রেক, ডেজার্ট ট্রেক, কোস্টাল ট্রেক, জাঙ্গল ট্রেক, সব ধরণের ট্রেকেই ভিন্ন ভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকে। এই ধরণের, অর্থাৎ নদীর গতিপথ ধরে ট্রেক করার আনন্দও তাই আলাদা। চ্যালেঞ্জও আলাদা। যেহেতু এটা ট্রাডিশনাল ট্রেক রুট নয় তাই রুটের বিভিন্ন স্থানে চন্দনকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে। পথ বের করে নিতে হয়েছে যথেষ্ট ঝুঁকি নিয়ে। সম্পূর্ণ  যাত্রাপথে চারটি রাজ্য, গুজরাট, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তিশগড়ে হেঁটেছেন চন্দন। এই প্রথম সাতপুরা এবং বিন্ধ্য পর্বতমালাও পেরিয়েছেন তিনি।

     দ্য ওয়াল কে চন্দন জানালেন, নর্মদা নদীর উত্তরতটে রয়েছে বিন্ধ্য পর্বতমালা এবং দক্ষিণতটে সাতপুরা পর্বতমালা। অতএব রাস্তা ছিল বন্ধুর। আবার কোথাও কোথাও সমতলভূমি। অনেক জায়গাতেই নর্মদার তীরে হাঁটার রাস্তাই নেই। সেইসব জায়গায় যেতে হয়েছে নদীর থেকে অনেকটা দূরে , কোনো গ্রামের মধ্যে দিয়ে। রাতে বেশিরভাগ দিন বিভিন্ন মন্দির বা আশ্রমে দিন কাটিয়েছি। অনেক জায়গায় মন্দির, আশ্রম, স্কুল বাড়ি না পেয়ে  গ্রামবাসীদের সাহায্য নিয়ে রাত কাটিয়েছি, তাঁদের বাড়িতেই। নর্মদা নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ১,০৬০ কিলোমিটার। কিন্তু সম্পূর্ণ রাস্তাটি পায়ে হাঁটা সম্ভব ছিল না। রাস্তায় ছিল দুর্গম শূলপানেশ্বর এবং পুনাসার জঙ্গল। সেই জায়গাটুকু পেরোতে হয়েছে গাড়িতে। অমরকণ্টকের জঙ্গল অবশ্য আমি হেঁটেই পেরিয়েছি।”

    নর্মদাতটের অনেক উল্লেখযোগ্য জায়গার মধ্যে দিয়ে  চন্দন গেছেন । সেগুলি হল ভারুচ, মহেশ্বর, মণ্ডলেশ্বর, ওমকারেশ্বর, নেমাওয়াড়,জব্বলপুর, অমরকণ্টক। পদযাত্রার  শেষের দিকে , চন্দনকে সাহায্য করেছে জব্বলপুরের   রোটারী ক্লাব।  চন্দন বিশ্বাসের ইচ্ছামতো নর্মদা অভিযানটির পরিচালনায় ছিল সোনারপুর আরোহী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Leave A Reply

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More