বাজার খুলতেই ঝপ করে নামল সূচক, শেয়ার কেনাবেচা বন্ধ ৪৫ মিনিট

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : সোমবার করোনাভাইরাসের ধাক্কায় ফের বেসামাল শেয়ার বাজার। এদিন বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গে সূচক নেমে যায় ১০ শতাংশ। আতঙ্কে ৪৫ মিনিট শেয়ার কেনাবেচা বন্ধ হয়ে যায়। লকডাউনের জেরেই শেয়ার বাজারে এই ধস নেমেছে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

    এদিন সেনসেক্স আগের দিনের চেয়ে ২৩০৭ পয়েন্ট নেমে ২৭,৬০৮.৮০ তে দাঁড়ায়। অপর সূচক নিফটি ৮৪২.৪৫ পয়েন্ট নেমে স্থির হয় ৭৯০৩.০০ এর ঘরে। দিনের শুরুতেই ব্যাঙ্ক, অটো এবং বিভিন্ন ধাতু কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করতে চেষ্টা করেন বিনিয়োগকারীরা।

    নিফটিতে নথিভুক্ত সংস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় ঋণদাতা ১২ টি ব্যাঙ্ক। তাদের মধ্যে এসবিআই, এইচডিএফসি এবং আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের শেয়ারের দাম পড়েছে গড়ে ১২.৭৪ পয়েন্ট।

    করোনাভাইরাসের জেরে বিশ্বের অর্থনীতি মন্দার কবলে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মন্দার ধাক্কা সামলাতে প্রতিটি দেশই কয়েকটি পদক্ষেপ করেছে বটে, কিন্তু তা কতদূর কার্যকরী হবে, সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত নন বিনিয়োগকারীরা। এদিন জাপান বাদে অন্যান্য এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলিতে সূচক নেমেছে ৩.৮ শতাংশ। নিউ জিল্যান্ডে সরকার অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা বাদে সব বন্ধ করে দেওয়ায় সেখানে শেয়ার সূচক পড়েছে ১০ শতাংশ। সাংহাইয়ে ব্লু চিপ শেয়ারগুলির দরও কমেছে গড়ে ২.৩ শতাংশ। একমাত্র জাপানের সূচক নিক্কি উঠেছে ০.৮ শতাংশ।

    এখনও পর্যন্ত বিশ্ব জুড়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণ হয়েছে প্রায় ৩ লক্ষ মানুষের। প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ১৪ হাজার মানুষ।

    ভারতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণে এই নিয়ে মোট ন’জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দু’জন বিদেশি নাগরিক। একজন ৬৯ বছরের ইতালীয় পর্যটক যাঁর মৃত্যু হয়েছিল রাজস্থানের জয়পুরে। অন্যজনের মৃত্যু হয়েছে মুম্বইতে। জানা গিয়েছে, এই ব্যক্তি ফিলিপিন্সের বাসিন্দা। রবিবার রাতে মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বৃহন্মুম্বই পুরসভা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত ১৩ মার্চ ভর্তি হন তিনি। ডায়াবেটিসের সমস্যা ছিল ওই বৃদ্ধের। পাশাপাশি কিডনি প্রায় পুরোপুরিই বিকল হয়ে গিয়েছিল তাঁর।

    এদেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সর্বপ্রথম মৃত্যু হয়েছিল কর্নাটকে। মারা গিয়েছিলেন ৭৬ বছরের এক বৃদ্ধ। এরপর ক্রমান্বয়ে দিল্লি, মুম্বই, পাঞ্জাবে মৃত্যু হয়েছে তিন ভারতীয় নাগরিকের। পঞ্চম মৃত্যু হয় জয়পুরে, এক ইতালীয় পর্যটকের। এরপর রবিবার একইদিনে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। তাঁদের মধ্যে একজন মুম্বই, একজন বিহার এবং আর একজন গুজরাতের বাসিন্দা। বিহারে মৃত্যু হয়েছে ৩৮ বছরের এক যুবকের। দেশের মধ্যে এই প্রথম এত কম বয়সী কারও মৃত্যু হয়েছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণে। সোমবার মুম্বইতে মৃত্যু হয়েছে এক বিদেশি নাগরিকের।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More