আস্থাভোট নিয়ে কী ভাবছেন? সুপ্রিম কোর্ট জানতে চাইল কমলনাথের কাছে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডন মঙ্গলবারই আস্থাভোট নিতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথকে। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্টও মুখ্যমন্ত্রী এবং বিধানসভার সচিবের কাছে জানতে চাইল, আস্থাভোট নিয়ে তাঁদের বক্তব্য কী। ১২ ঘণ্টার মধ্যে দু’জনকে জবাব দিতে বলা হয়েছে। আস্থাভোট পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়ে বিজেপি সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই এদিন মুখ্যমন্ত্রী ও বিধানসভার সচিবকে নোটিস দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

    বুধবার বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে এক বেঞ্চের সামনে মধ্যপ্রদেশের আস্থাভোট নিয়ে আবেদনের শুনানি হবে। কংগ্রেসের ১৬ জন বিদ্রোহী বিধায়ককে এই মামলায় পার্টি হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাঁরা গত সপ্তাহ থেকে আছেন বেঙ্গালুরুর এক রিসর্টে। সেখান থেকে তাঁরা স্পিকারের কাছে ইস্তফা পাঠিয়ে দিয়েছেন।

    রাজ্যপাল চিঠি দিয়ে কমলনাথকে বলেছেন, “আপনি যদি ১৭ মার্চের মধ্যে বিধানসভায় আস্থাভোট না করান, ধরে নেব আপনার গরিষ্ঠতা নেই।” বিজেপির ধারণা সরকারপক্ষের ২২ জন বিধায়কের বিদ্রোহের পর আস্থাভোটে তাদের জয় নিশ্চিত।

    সোমবারই বিধানসভায় আস্থাভোট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের আতঙ্কে বিধানসভার অধিবেশন ২৬ মার্চ অবধি বন্ধ রাখেন স্পিকার। এরপরই রাজ্যপাল চিঠি দিয়ে কমলনাথকে বলেন, মঙ্গলবার আস্থা ভোট করাতেই হবে।

    এরপর মুখ্যমন্ত্রী রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক করেন। রাজভবন থেকে বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “যারা দাবি করছে তাদের গরিষ্ঠতা আছে, তারা আগে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনুক। তারপর বিধানসভায় শক্তিপরীক্ষা হবে।” পরে তিনি বলেন, “আমি রাজ্যপালকে জানিয়েছি, সাংবিধানিক রীতিনীতি মেনে যা করা হবে আমি তাতেই রাজি।”

    সোমবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ ও অন্যান্য মন্ত্রী হাসতে হাসতে বিধানসভায় ঢোকেন। কমলনাথ আঙুল দিয়ে ভিকট্রি চিহ্ন দেখান। এদিন রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডন এক মিনিটের সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন বিধানসভায়। তিনি বলেন, “প্রত্যেককেই সংবিধান মেনে চলতে হবে। বিধানসভার মর্যাদা রক্ষা করাও সকলের কর্তব্য।”

    মধ্যপ্রদেশে বিরোধী দলনেতা গোপাল ভার্গব বলেন, সরকারের গরিষ্ঠতা নেই। মুখ্যমন্ত্রীর উচিত ইস্তফা দেওয়া। তাঁর কথায়, “রাজ্য সরকার গরিষ্ঠতার প্রমাণ দিচ্ছে না। তারা বিধানসভায় শক্তিপরীক্ষা পিছিয়ে দিচ্ছে। সরকারের নৈতিক পরাজয় হয়েছে। নৈতিক কারণেই কমলনাথের ইস্তফা দেওয়া উচিত।”

    ২০১৮ সালে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী না হতে পেরে অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন প্রয়াত কংগ্রেস নেতা মাধবরাও সিন্ধিয়ার ছেলে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। গত সপ্তাহে তিনি দলবদল করেন। তাঁর সঙ্গে ইস্তফা দেন ২২ জন বিধায়ক। এরপর কমলনাথ সরকার সংখ্যালঘু হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। কমলনাথ এদিন বলেন, “রাজ্যপাল আমাকে বলেছেন, বিধানসভার কাজকর্ম যেন মসৃণভাবে চলে। আমি তাঁকে বলেছি, সোমবার সকালে এব্যাপারে স্পিকারের সঙ্গে কথা বলব।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More