শচীনকে আর ফেরানোর উপায় নেই, বলল কংগ্রেস

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : রাজস্থানে বিদ্রোহী বিধায়কদের সম্পর্কে কড়া হচ্ছে কংগ্রেস। বুধবারও দলের মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা বলেছিলেন, বিদ্রোহী নেতা শচীন পাইলট দলে ফিরতে চাইলে তাঁকে স্বকাগত জানানো হবে। এদিনই রাজস্থান বিধানসভার স্পিকার সি পি যোশি শচীন সহ বিদ্রোহী বিধায়কদের নোটিস দেন। তাতে জানতে চাওয়া হয়, কেন তাঁদের ডিসকোয়ালিফাই করা হবে না। ওই নোটিসের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার শচীনরা হাইকোর্টে গিয়েছেন। বৃহস্পতিবার কংগ্রেস থেকে বলা হয়, শচীন ‘পয়েন্ট অব নো রিটার্ন’-এ পৌঁছে গিয়েছেন। এখান থেকে তাঁর ফেরার উপায় নেই।

    শচীনদের হয়ে হাইকোর্টে সওয়াল করবেন দুই প্রথম সারির আইনজীবী মুকুল রোহতগি ও হরিশ সালভে। দু’জনেই বিজেপির আমলে সরকারি আইনজীবী নিযুক্ত হয়েছিলেন। কংগ্রেসের দাবি, বিদ্রোহীরা যে আইনজীবীদের নিয়োগ করেছেন, তাঁদের দেখেই বোঝা যায়, পুরো ব্যাপারটার পিছনে আছে বিজেপি। মধ্যপ্রদেশে নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দেওয়ার তিন মাস বাদে তারা রাজস্থানের দিকে হাত বাড়িয়েছে।

    একটি সূত্রের খবর, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বুধবারও শচীনের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও দূত মারফৎ তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন। কংগ্রেসের ধারণা ছিল, শচীনের অনুগামী কয়েকজন বিধায়ক ফের দলে ফিরতে চান। কিন্তু এখন সম্ভবত তাঁরা হাইকোর্টের রায়ের জন্য অপেক্ষা করবেন।

    গত রবিবার শচীন রাজস্থানে অশোক গেহলোটের সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন। কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপি টাকা ও উঁচু পদের লোভ দেখিয়ে তাঁর অনুগামী বিধায়কদের দলে টানার চেষ্টা করছে। অশোক গেহলোট দাবি করেছেন, তাঁর সরকারের যথেষ্ট গরিষ্ঠতা আছে। বিজেপিও বলেছে, এই মুহূর্তে বিধানসভায় শক্তিপরীক্ষার প্রয়োজন নেই।

    মঙ্গলবার শচীনকে উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। শচীনের অনুগামী দুই মন্ত্রীও পদচ্যুত হন। তারপর শচীন টুইট করে বলেন, “যারা সত্যের পথে থাকে তাদের হেনস্থা করা যায় ঠিকই কিন্তু তা বলে সত্যকে পরাজিত করা যায় না।” রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলোট এদিনই তাঁর মন্ত্রিসভার পুনর্বিন্যাস করবেন বলে জানা গিয়েছে।

    বুধবার শচীন মন্তব্য করেন, গান্ধী পরিবারের কাছে তাঁকে ছোট করার জন্যই তাঁর সঙ্গে বিজেপির যোগাযোগের কথা রটানো হয়েছে। এরপর কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা বলেন, “আমরা মিডিয়ার মারফৎ জেনেছি, শচীন বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন না। যদি তিনি বিজেপিতে না যান, অবিলম্বে হরিয়ানায় বিজেপি সরকারের আতিথ্য নেওয়া বন্ধ করুন। দু’টি হোটেলে বিজেপির নিরাপত্তা বলয় আমাদের বিধায়কদের ঘিরে রেখেছে। সেখান থেকে তাঁদের মুক্ত করুন। বিজেপির সঙ্গে আলোচনাও বন্ধ করুন।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More