অশান্তি রুখতে আসছে অ্যাপ, বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: নির্বাচনে অশান্তি এবং অনিয়ম রুখতে এ বার অ্যাপ আনছে নির্বাচন কমিশন। শনিবার মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিতে একটি সেমিনারে যোগ দিতে কলকাতায়  আসেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ওমপ্রকাশ রাওয়াত। ভোটে হিংসা এবং অশান্তির প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রাওয়াত বলেন, এই অ্যাপের মাধ্যমে ছবি বা ভিডিও পাঠানো যাবে কমিশনের কাছে। সেই ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা নেবে কমিশন। 

     কিন্তু ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থা কি আবার ব্যালট জমানায় ফিরছে? মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানিয়ে দেন, ‘ব্যালটে ফেরার কোনও সম্ভাবনাই নেই।’ রাজনৈতিক দলগুলি ইভিএম-এর প্রতি কখনই পুরো ভরসা করতে পারে না। উপরি সম্প্রতি সারা দেশের ৪টি লোকসভা এবং ১০টি বিধানসভার উপনির্বাচনে ইলেক্ট্রনিক ভোট যন্ত্রে বড় বিপত্তি ঘটে। অসংখ্য বুথে হয়রানি পোয়াতে হয় ভোটার  থেকে ভোট কর্মী সকলকেই। কমিশন ওই বিপত্তির পিছনে দায়ী করে গরমকে। এরপর থেকেই জল্পনা চলছিল। সেই ভাবনায় এ দিন জল ঢেলে দিলেন রাওয়াত।

    চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব নেন মধ্যপ্রদেশের এই আমলা। সেই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক দলগুলিকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলির উচিত নির্বাচনে হারলে ইভিএম-এর দিকে আঙুল না তুলে আত্মসমীক্ষা করা।’

    এ দিনের অনুষ্ঠানে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানান অস্তিত্বহীন রাজনৈতিক দলগুলিকে কমিশনের তালিকার বাইরে রাখার প্রক্রিয়া চলছে। তা এখনও সম্পন্ন না হলেও দেশে অস্তিত্বহীন রাজনৈতিক দলের সংখ্যা যে হাজারের বেশি তাও জানিয়ে দেন তিনি। সেই সঙ্গে বলেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে আনা হচ্ছে একটি অ্যাপ। যে অ্যাপের মাধ্যমে ভোটে কোনও অনিয়ম হলেই ভোটাররা তার ছবি বা ভিডিও ওই অ্যাপের মাধ্যমে কমিশনের কাছে পাঠাতে পারবে। ওই ছবি বা ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা নেবে কমিশন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনার একটি প্রশ্নের উত্তরে এও খোলসা করেন ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচন হবে নির্ধারিত সময়েই। প্রসঙ্গত দিন কয়েক আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন লোকসভা ভোট এগিয়ে আনা হোক। কিন্তু রাওয়াত এ দিন জানিয়ে দিলেন তার কোনও সম্ভাবনাই নেই।

    ছবি দেবাশিস রায়

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Leave A Reply

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More