বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭

সময় দিতে নারাজ, মোদীর শপথের পাঁচ দিনের মাথাতেই রাস্তায় তৃণমূল

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সবেমাত্র চারদিন হয়েছে শপথ নিয়েছে দ্বিতীয় নরেন্দ্র মোদী সরকার। এর মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে রাস্তায় নেমে পড়ল বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। মঙ্গলবার বিকেলে শহরে জোড়া মিছিল করল তৃণমূল। ইস্যু- রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি।

গোলপার্ক থেকে হাজরা এবং মৌলালি থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল করল তৃণমূল। দক্ষিণ কলকাতার মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ তথা যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং উত্তর কলকাতার মিছিলটির নেতৃত্ব দেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। মিছিল শুরু আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, “দ্বিতীয় মোদী সরকারও শপথ নেওয়ার পর থেকেই জন বিরোধী পদক্ষেপ করতে শুরু করেছেন। এর বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমরা রাস্তায় নেমেছি। আগামী দিনে আরও বড় আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”

বিজেপি-র জয় শ্রীরাম স্লগান নিয়ে ইতিমধ্যেই বাংলার রাজনীতি সরগরম। পাল্টা তৃণমূলও জয় হিন্দ এবং জয় বাংলা স্লোগান দেওয়ার ডাক দিয়েছে। এ দিনের মিছিলেও শোনা যায় জয় শ্রীরামের বদলে জয় বাংলা স্লোগান দিচ্ছেন তৃণমূলের কর্মীসমর্থকরা।

এ বার ভোটে বিপর্যয় হয়েছে তৃণমূলের। বাংলায় ১৮টি আসন দখল করেছে বিজেপি। ৩৪ থেকে বাংলার শাসক দলকে নেমে আসতে হয়েছে ২২-এ। কিন্তু সময় নষ্ট করতে চান না মমতা। এর মধ্যেই দুটী সাংগঠনিক সভা করেছেন কালীঘাটের বাড়িতে। রদ বদল করেছেন দলের ভিতর। মন্ত্রিসভাতেও দফতর অদল বদল করেছেন দিদি। সোমবার নবান্নে মন্ত্রী এবং বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পর্যবেক্ষকদের মতে, এ দিনের জ্যড়া কর্মসূচি যতটা না বিজেপি-র বিরুদ্ধে, তার চেয়েও জড়তা কাটিয়ে দলীয় কর্মীদের রাস্তায় নামানো। সেই সঙ্গে বিজেপি-কে বার্তা দেওয়া, এ বার আর কোনও ‘হানিমুন পিরিওড’ দেওয়া হবে না মোদী সরকারকে। প্রথম দিন থেকেই রাস্তায় নেমে হবে আন্দোলন।

যদিও তৃণমূলের জোড়া মিছিলকে কটাক্ষ করে বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্যসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “এ সব কোনও আন্দোলন নয়। আসলে দিদিমণি দেখে নিতে চেয়েছেন তাঁর দলে এখনও কারাকারা রয়েছেন। তাই জন্য মিছিল ডেকেছিলেন।”

Comments are closed.