রবিবার, নভেম্বর ১৭

মাইনে বাড়ানো উচিত, ডিএ দেওয়া উচিত, দাবি তুলল তৃণমূলের কর্মী সংগঠনও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এই প্রথমবার। এই প্রথমবার তাঁর দলের সরকারি কর্মচারী সংগঠনও দাবি তুলল অবলম্বে মাইনে বাড়ানো উচিত, ডিএ দেওয়া উচিত। এদিনই ষষ্ঠ বেতন কমিশন নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, ডিসেম্বরে ষষ্ঠ বেতন কমিশন রিপোর্ট জমা দিলে সরকারের সামর্থ্য মতো বাড়ানো হবে বেতন। তবে ডিএ প্রসঙ্গে বলেছেন, “সরকারকে এই বছরেও ৫৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ বাবদ কেন্দ্রকে শোধ করতে হবে। এর মধ্যে এই দাও, ওই দাও করলে কী করে হবে? ডিএ আমরা যতটা পারি দিয়েছে।” এর প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারি কর্মী সংগঠনের পক্ষেও অচীরে বর্ধিত বেতন ও ডিএ দেওয়ার দাবি উঠল।

এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সাংবাদিক বৈঠকের পরে রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের কনভেনর সৌম্য বিশ্বাস বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন সেটা আমি এখনও পুরোটা শুনিনি। তবে যেটুকু শুনেছি তাতে ওনার উপরে ভরসা রাখছি। একই সঙ্গে আমরা মনে করি অচিরেই বর্ধিত ডিএ ও বেতন দেওয়া দরকার। এটা সরকারি কর্মীদের নায্য পাওনা।”

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠন যখন এই সুরে কথা বলেছে তখন বাম কর্মচারী সংগঠন তো বলবেই। রাজ্য কো-অর্ডিনেশন কমিটি। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিজয়শঙ্কর সিংহ বলেন, “উৎসব, মোচ্ছব, কার্নিভাল সবই করেতে পারে রাজ্য সরকার। হরির লুঠ হচ্ছে নানা জায়াগায় কিন্তু পে কমিশন চালু করতে গেলেই যত অজুহাত। আসলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে করতে চাইছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পে কমিশনের উপরে দোষ চাপিয়ে নিজের ব্যর্থথা ঢাকতে চাইছেন।”

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন “কমিশন রিপোর্ট সাবমিট করলে যতটা সামর্থ্য আছে ততটা করব। বেশি করতে পারব না। খাদ্যসাথী, সবুজসাথী, কন্যাশ্রী বন্ধ করতে পারব না। সেটা বজায় রেখে যতটা পারি করব।” এর জবাবে কো-অর্ডিনেশন কমিটির বক্তব্য, অন্য রাজ্যে সব প্রকল্প বজায় রেখে বর্ধিত বেতন, ডিএ দেওয়া সম্ভব হলে বাংলায় তা হবে না কেন।

আরও পড়ুন

বেতন বাড়াব, কিন্তু খাদ্যসাথী বন্ধ করে নয়, নবান্নে বললেন মমতা

Comments are closed.