কারও চাকরি যাবে না, ভারতীয় কর্মীদের আশ্বাস টিকটকের, আজ ভাষণ দেবেন সিইও

ইতিমধ্যেই টিকটক ইন্ডিয়ার প্রধান নিখিল গান্ধী কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে ছাঁটাই না হওয়ার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন। আতঙ্কে থাকা কর্মীদের তিনি বলেছেন, এই অ্যাপ সম্পর্কে ভারত সরকারের কী কী উদ্বেগ রয়েছে, তা জানতে কোম্পানি যোগাযোগ রাখছে। ভারত সরকারের উদ্বেগ দূর করার চেষ্টাও করা হবে বলে তিনি কর্মীদের জানিয়েছেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: টিকটক ব্লক করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সোমবারই টিকটক-সহ ৫৯টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ হয়েছে ভারতে। এই সব অ্যাপ ব্যবহারকারীদের অনেকেই এর ফলে দুঃখে আছেন। কিন্তু চিন্তায় আছেন এই সব সংস্থার কর্মীরা। বিশেষ করে ভারতে টিকটকের কর্মীরা। তবে তাঁদের কারও চাকরি যাবে না। ভারতে ওই অ্যপা নিষিদ্ধ হলেও কর্মী ছাটাই করবে না টিকটক। মঙ্গলবারই এমন আশ্বাস দিয়েছেন টিকটক ইন্ডিয়ার প্রধান নিখিল গান্ধী। আর বুধবার এই পরিস্থিতি কর্মীদের মনোবল বাড়াতে নিজের বক্তব্য জানাবেন টিকটকের সিইও কেভিন মায়ের।

    সংবাদমাধ্যম ‘বিজনেস টুডে’ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই টিকটক ইন্ডিয়ার প্রধান নিখিল গান্ধী কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে ছাঁটাই না হওয়ার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন। আতঙ্কে থাকা কর্মীদের তিনি বলেছেন, এই অ্যাপ সম্পর্কে ভারত সরকারের কী কী উদ্বেগ রয়েছে, তা জানতে কোম্পানি যোগাযোগ রাখছে। ভারত সরকারের উদ্বেগ দূর করার চেষ্টাও করা হবে বলে তিনি কর্মীদের জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন

    বেসরকারি বাস না চললে প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা নেব, বাসগুলি সরকার নিজে চালাবে: মুখ্যমন্ত্রী

    উল্লেখ্য, টিকটক এর আগে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, যে কোনও রকম ব্যাখ্যা দিতে তারা তৈরি। কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতেও তারা রাজি। তবে কবে এমন বৈঠক হতে পারে সে সম্পর্কে বিস্তারিত এখনও জানা যায়নি।

    এটা অস্বীকার করার জায়গা নেই যে, টিকটকের কাছে ভারতীয় বাজার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খুব কম ‌দিনেই দেশে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে টিকটক। গত এপ্রিলেই গুগল ও অ্যাপল প্লে স্টোর থেকে সবমিলিয়ে হওয়া ২০ লাখ টিকটক অ্যাপ ডাউনলোডের মধ্যে ৩০ শতাংশের বেশিই হয়েছে ভারতে। এদেশে মানিটাইজেশন -এর শীর্ষে রয়েছে টিকটক ও হেলো। জানা গিয়েছে, ভারতীয় বাজার থেকে প্রতি ত্রৈমাসিকে ২০-২৪ কোটি টাকার রাজস্ব আসে টিকটকের। এও জানা গিয়েছে যে, চলতি বছর ১০০ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্য ছিল।

    করোনাভাইরাস লকডাউনের সময়েও টিকটক সংস্থাকে অনেক বিজ্ঞাপন পেতে দেখা গিয়েছে। এই পরিস্থিতি ভালই চাপে রয়েছে টিকটক। এখন সমস্যার সমাধান কোন পথে হবে তা নিয়ে কোনও নিশ্চয়তা নেই। মনে করা হচ্ছে, নিষেধাজ্ঞা না উঠলে আইনি পথ নিতে পারে টিকটক। কিন্তু তাতে কতটা সুবিধা হবে এবং কতদিন লাগবে তা এখন থেকেই বলা সম্ভব নয়। এমন এক পরিস্থিতির মধ্যে চিন্তায় টিকটক কর্মীরা। সকলেই অপেক্ষা করছেন বুধবারের জন্য। সকলেই শুনতে চান সংস্থার সিইও কেভিন মায়ের কী বলেন।

    কেন্দ্রীয় সরকার এই অ্যাপ গুলি ব্লক করার সময়ে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের উল্লেখ করেছে। অন্যদিকে, টিকটক ইন্ডিয়া বিবৃতি দিয়ে দাবি করেছে যে, তারা ভারতীয় আইন অনুযায়ী সমস্ত তথ্য সংক্রান্ত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার নিয়ম পালন করে এবং ভারতের গ্রাহকদের তথ্য চিন সরকার সহ অন্য কোনও বিদেশি সরকারকে জানায়নি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More