বোনের ধর্ষণের প্রতিশোধ নিতে তিহাড় জেলের ভিতরে বন্দিকে কুপিয়ে মারল অন্য বন্দি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিহাড় জেলের ভিতরে খুনোখুনি! এক বন্দি ছুরি দিয়ে কুপিয়ে মারল অন্য বন্দিকে। সোমবারের এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুলিশ জানিয়েছে, ছ’বছর আগে ২১ বছরের জাকিরের বোনকে ধর্ষণ করেছিল ২৭ বছরের মহম্মদ মেহতাব।, প্রতিশোধ নিতেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে অভিযুক্ত জাকির।

    পুলিশ জানিয়েছে, মেহতাবের পেট থেকে শুরু করে গলা পর্যন্ত একাধিক বার ছুরির কোপ মেরেছে জাকির। ভোর ছ’টার সময়ে জেলের ভিতরেই ঘটেছে এই ঘটনা। চেঁচামেচি শুনে ছুটে আসেন রক্ষীরা। কিন্তু ততক্ষণে মারাত্মক আহত মেহতাব।

    পুলিশ জানিয়েছে, দিল্লির দক্ষিণপুরীর বাসিন্দা জাকির প্রথমে জেল নম্বর পাঁচে বন্দি ছিল। সম্প্রতি তাকে আট নম্বরে নিয়ে আসা হয়েছিল। পাশেই ন’নম্বরে ছিল মেহতাব। সোমবার এই কাণ্ড হওয়ার পরে মেহতাবের গলার ক্ষত খুবই গভীর ছিল। ফার্স এইড দেওয়ার পরে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে, কিন্তু মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

    পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে বিস্তারিত তথ্য। পুলিশের ডেপুটি কমিশনার দীপক পুরোহিত জানান, ২০১৪ সালে জাকিরের নাবালিকা বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল মেহতাবের বিরুদ্ধে। পরে মেয়েটি আত্মহত্যা করে। এর পরে জেলবন্দি হয় মেহতাব। ২০১৮ সালে একটি খুনের অভিযোগে তিহাড় জেলে বন্দি হয় জাকিরও।

    জানা গেছে, পাঁচ নম্বর জেলে রাখা হয়েছিল তাকে। কিন্তু সেখানে সহ-বন্দিদের সঙ্গে মারামারি করে বসে সে। তার পরেই তাকে অন্য জেলে সরানো হয়। সে অনুরোধ করে, আট নম্বরে তাকে রাখার জন্য। মনে করা হচ্ছে, প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ইচ্ছে করেই মেহতাবের কাছাকাছি যেতে চেয়েছিল সে।

    সোমবার ভোর ছ’টায় যখন বেশিরভাগ বন্দি সকালের প্রার্থনায় বেরিয়ে যায়, তখনই ওপরে উঠে ন’নম্বরে চলে যায় জাকির। আচমকা ছুরি দিয়ে কোপাতে শুরু করে মেহতাবকে। তবে জেলের ভিতরে জাকির ছুরি কোথায় পেল, তা জানতে তদন্ত চলছে। সূত্রের খবর, ঠিক ছুরি নয়, ধারাল ধাতব একটি টুকরো জোগাড় করেছিল জাকির। তা দিয়েই ঘটিয়েছে এই মারাত্মক কাণ্ড।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More