বুধবার, আগস্ট ২১

থিয়েটারের নতুন সন্ধানে অশোকনগর, প্রতি মাসে জেলার নাটকের আয়োজন  

ঋভু চক্রবর্তী

থিয়েটার খুঁজে চলে। সন্ধান করে চলে তার সময় ও আগামীকে। তেমনই এক নতুন খোঁজ শুরু করেছে অশোক নগরের দুটো দল – ‘অশোকনগর অভিযাত্রী’ এবং ‘অশোকনগর নাট্যমুখ’।

শিল্প,কলায় অশোকনগর বরাবরের ঐতিহ্যবাহক। সেই ধারাকেই বজায় রাখতে নাট্যমুখ আর অভিযাত্রীর যৌথ উদ্যোগ ‘নক্ষত্র যুগের সন্ধানে’। এই উদ্যোগে মাসের প্রতিটি দ্বিতীয় রবিবার অভিনীত হবে দুটি করে অভিনয়, এবং অভিনয় দুটিই হবে কোনো নির্ধারিত জেলার।

গত ১০ জুন অশোকনগর বিদ্যাসাগর বাণীভবন হাইস্কুলে এই উদ্যোগের শুভ উদ্বোধন হয় বীরভূম জেলার দল ‘সাইথিয়া ওয়েক আপ’-এর  ‘ও কে গো?’ এবং ‘সিউড়ি ইয়ং’-এর ‘গুপ্তধন’ নাটকের মাধ্যমে। সম্মান জানানো হয় বীরভুমের জনপ্রিয় এবং নিয়মিত নাট্যপত্রিকা আননায়ুধকে। এলাকার জনগণের উপস্থিতি ও ছিল চোখে পড়ার মতো।

পরের অনুষ্ঠান হয় ৮ জুলাই। সেদিন ছিল নদীয়া জেলার অভিনয়। অভিনীত নাটকগুলো যথাক্রমে ‘কৃষ্ণনগর সিঞ্চন’-এর ‘তাহারুশ’ এবং ‘চাকদহ নাট্যজন’-এর ‘ভানুমতির পালা’। তাহারুশ এর বিষয় নারীর প্রতি যুগ যুগ ধরে চলে আসা অবিচারের আর ভানু সুন্দরী আসলে পদ্মাপারের রোমিও জুলিয়েট। দুটি নাটকই দর্শককে নাড়িয়ে দ্যায় ।

আগামী মাসের জেলা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে কলকাতাকে। প্রতিটা নাটকের নির্দেশনা আর অভিনয় যেন সমাজের গূঢ় সত্যগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে যায়।

নাট্যমুখ এর নির্দেশক অভি চক্রবর্তী জানান যে ‘এই অঞ্চলের মানুষ যেভাবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোজ ঘোষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই স্কুলটিকে আঁকড়ে রেখে পরিচিতি দিয়েছেন আমরাও ঐ একই কমিউনিটি ফিলিং থেকে কাজটা করতে চাইছি। ফেসবুক, কাগজে বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি একেবারে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছি আমরা। প্রথম দু মাস সম্পূর্ণ অবাধ প্রবেশে নাটক দেখালেও আগামী দিনে এক অভিনব এনটারটেনমেন্ট কার্ড চালু করবো আমরা। থিয়েটার দেখবার পাশাপাশি এই কার্ডে বই পড়া থেকে শুরু করে নানা সুবিধে মিলবে’

Leave A Reply