বুধবার, অক্টোবর ১৬

সমরেশ বসুর ‘বিবর’ এবার স্টেজে, কী ভাবছেন নির্দেশক?

দেবাশিস দত্ত

সমরেশ বসুর ‘বিবর’ বাংলা সাহিত্যের এক নতুন বাঁক। এই উপন্যাস একদিকে যেমন বহুনিন্দিত তেমনই অন্যদিকে বহুবন্দিত।  প্রয়াত সাহিত্যিক সন্তোষ কুমার ঘোষের মতে, ‘বিবর’ বাংলা সহিত্যের শ্রেষ্ঠ দশটি উপন্যাসের অন্যতম।

আবার বহু পাঠক-সমালোচকের রায়, ‘বিবর’ নাকি অশ্লীল।

এমন তীব্র পরস্পর বিরোধী মতামত একমাত্র সেই লেখাকে ঘিরেই আলোড়িত হতে পারে যা সর্ব-অর্থে নতুন ও বেগবান, প্রবল ও অপ্রতিরোধ্য। ‘বিবর’ বস্তুত তাই।

মানুষের অস্তিত্বের তীব্র সংকট নিয়ে, প্রচলিত মূল্যবোধের নিরাপদ আশ্রয় থেকে বেরিয়ে উন্মুখ এক প্রতিবাদী সত্ত্বার পরিণতি-র বর্ণনা ‘বিবর’।

সমকালের থেকে এগিয়ে থাকা সাহিত্য নিয়ে দমদম ব্রাত্যজনের প্রথম নাট্য নির্মান – বিবর। ১৯৬৫-র এই বহু আলোচিত সাহিত্যের দর্পণে আজ আমরা আমাদের বিবরস্থ সমকালকেও দেখতে চেয়েছি।

এই সময়ে দাঁড়িয়ে বিবর নাটকটি নির্মাণের পরিকল্পনা ও প্রয়োজনীয়তা  আমাদের মতে অনেক ।

১৯৬৫ সালের এই অতি সমালোচিত একটি উপন্যাস সেই সময়ের মুখ হয়ে উঠেছিল । সময়, ব্যক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত সমাজ , রাষ্ট্র, সম্পর্ক সবকিছুই যেন একটা গর্তের ভিতর প্রবেশ করে। এই উপন্যাসের বা নাটকের প্রধান চরিত্র বীরেশেরও সেই একই রকম পরিণতির কথা বলে এই নাটক ।

তখন আর এখনের মধ্যে বদলেছে ক্ষমতা। কিন্ত এই সময়ে দাঁড়িয়েও একই সিস্টেমের মধ্য দিয়েই এই যাতায়াত। আদৌ কি বদলেছে মানসিকতা? ক্ষমতার ভাষা । সম্পর্কের মনস্তত্ত্ব? মনস্তাপ?  তাকে নতুন ভাবে দেখার সময় ও সম্ভাবনাই এই নাটকের অবতারণা ।

দেবাশিস দত্ত’র পরিচালনায় ঋতুসুখে বিবর্ব কবিতা, স্যাক্রিফাইস, পাথ দ্য ওয়াটার ফল, হরিখেলা, রাজা – দ্য কিং অব ডার্ক চেম্বার, শিকার, প্রেতপুরুষ, রাজরত, কৃষ্ণ, পেজ ফোর, ফোর্থ বেল প্রভৃতি নাটক মঞ্চস্ত হয়েছে 

Leave A Reply