তেলেঙ্গানার ধর্ষকরা আগেও তিন রাজ্যে একই অপরাধ করেছে, সন্দেহ পুলিশের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : শুক্রবার সকালেই হায়দরাবাদের কাছে এনকাউন্টারে মারা গিয়েছে চার ধর্ষক। পুলিশের সন্দেহ, এর আগে আরও তিন রাজ্যে একই অপরাধ করেছে তারা। কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলঙ্গানায় ওই চারজন কোনও মহিলাদের বিরুদ্ধে কোনও অপরাধ করেছে কিনা, সে বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

    সাইবারাবাদের পুলিশ কমিশনার ভি সি সাজ্জানার এদিন সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, আমরা মৃত তরুণী ও চার অভিযুক্তের ডিএনএ পরীক্ষা করিয়েছিলাম। পরে আমরা কর্ণাটক, তেলঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে যত মহিলা নিখোঁজ হয়েছেন, যাঁদের পোড়া দেহ পাওয়া গিয়েছে, তাঁদের সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছি। একবার তথ্য এলে আমরা বিশ্লেষণ করে দেখব, ওই চারজন আর কোনও অপরাধে যুক্ত কিনা। আমাদের সন্দেহ, ওই চারজন অন্যান্য রাজ্যেও একই অপরাধ করেছে।

    এদিন সাইবারাবাদ পুলিশ জানিয়েছে, হায়দরাবাদের কাছে যেখানে তরুণীকে ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছিল, তার কাছ থেকে মৃতার মোবাইল ফোন, পাওয়ার ব্যাঙ্ক এবং ঘড়িটি উদ্ধার করা হয়েছে।

    এনকাউন্টার সম্পর্কে পুলিশ কমিশনার বলেছেন, “অভিযুক্ত চারজনই এক জায়গায় জড়ো হয়ে পুলিশকে আক্রমণ করেছিল। তারা পাথর ছুঁড়ছিল। লাঠিসোঁটা নিয়ে আক্রমণ করেছিল। দুই অফিসারের থেকে অস্ত্র কেড়ে নিয়ে গুলি চালাচ্ছিল।” পুলিশের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “তারা খুবই ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। অপরাধীরা গুলি ছুঁড়তে শুরু করলে পুলিশ পালটা আঘাত করে।”

    গত সপ্তাহের বুধবার  রাত ৯টা ২০ নাগাদ, হায়দরাবাদে এনএইচ ৪৪-এর ওপর পেশায় পশুচিকিৎসক ওই ২৬ বছরের তরুণীর স্কুটির চাকা পাংচার করে দিয়েছিল অভিযুক্তরা। তার পরের এক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে গণধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারে তারা। ধরা পড়ার পরে অভিযুক্তরা স্বীকার করেছে, তরুণী যাতে চিৎকার না করতে পারেন, সে জন্য তাঁর গলায় জোর করে মদ ঢেলে দিয়েছিল তারা। এমনকি তরুণীকে পোড়াতেও তাঁরই স্কুটির পেট্রোল ঢালা হয়েছিল বলেও স্বীকার করেছে তারা।

    এই ঘটনায় তদন্তে নেমে, দু’দিন পরে, শুক্রবার চার জন অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করে পুলিশ। মহম্মদ আরিফ, জল্লু শিবা, জল্লু নবীন ও চিন্তাকুন্তা চেন্নাকেশাভুলু নামের এই চার অভিযুক্তকে শনিবার ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছিলেন তেলঙ্গানার শাদনগরের ম্যাজিস্ট্রেট। তেলঙ্গানার চেরাপল্লীর সেন্ট্রাল জেলে ছিল তারা। ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্টে তাদের বিচার হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More