করোনা পজ়িটিভ ধরা পড়ল পুলিশের, তেলেঙ্গানায় নিজেই নিয়ম ভেঙে আটক হয়েছিলেন তিনি

পুলিশ অফিসারের ২৩ বছরের ছেলে গত সপ্তাহেই লন্ডন থেকে ফেরেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: তেলেঙ্গানায় নিয়ম ভেঙে আটক হওয়া সেই পুলিশকর্তা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বলে জানা গেল। পরীক্ষার রিপোর্ট আসার পরে দেখা গেছে, করোনা-পজ়িটিভ তিনি। এই খবর সামনে আসতেই ক্ষোভ ও আশঙ্কা দুই-ই বেড়ে গেল আরও খানিকটা। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই পজ়িটিভ রিপোর্ট স্পষ্ট করে দিনল, আক্রান্তের তিন কিলোমিটার দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড ১৯ অসুখ।

    ডিএসপি পদমর্যাদার ওই পুলিশ অফিসারের ২৩ বছরের ছেলে গত সপ্তাহেই লন্ডন থেকে ফেরেন। এর পরে তাঁর শারীরিক পরীক্ষা হলে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি মেলে। তাঁদের হাসপাতালের পক্ষ থেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়। কিন্তু তাঁরা তা মানেননি বলে জানিয়েছেন তেলেঙ্গানার স্বাস্থ্যমন্ত্রী এতালা রাজেন্দ্র। তিনি বলেন, ভদ্রাদ্রি-কোঠাগুদেম জেলার ডিএসপি এসএম আলি এবং তাঁর ছেলেকে প্রশাসনের পক্ষে কড়া নির্দেশ দেওয়া সত্বেও তাঁরা তা মান্য করেননি। এর জন্য তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। এর পরেই আটক করা হয়।

    করোনাভাইরাস সংক্রমণে এখন ত্রস্ত গোটা দেশ। রোজই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা, বাড়ছে মৃত্যুও। গৃহবন্দি থাকা ছাডা় এ পরিস্থিতি মোকাবিলার অন্য কোনও উপায় নেই বলেই জানিয়েছে হু। সেই কারণেই গোটা দেশ লকডাউন। সকলকে কোয়ারেন্টাইনে থাকার জন্য অনুরোধ করছে পুলিশ, প্রশাসন। তেলেঙ্গানার পুলিশ এ ব্যাপারে আরও বেশি কড়া। সেখানেই এক পুলিশ কর্তার নিয়ম ভাঙার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বিলেত-ফেরত ছেলেকে সামলে রাখতে পারেননি তিনি। পুলিশ অবশ্য এ বিষয়ে কোনও ছাড় না দিয়ে বাবা ও ছেলেকে আটক করেছে। এর মধ্যেই জানা গেল, অভিযুক্ত বাবাও আক্রান্ত।

    এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেন্দ্র বলেছেন, “এটা কোনও ব্যক্তিগত বিষয় নয়। একজন আইন ভাঙা মানে অনেকের ভয় বাড়িয়ে দেওয়া। তাই এই ব্যাপারে রাজ্য সরকারের অবস্থান স্পষ্ট, কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম ভাঙলে সকলের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    পুলিশ জানিয়েছে, ওই পুলিশ কর্তার ছেলে লন্ডন থেকে ফেরার পরে অনেক কাণ্ডই করেছেন। তিনি চুল কাটতে গিয়েছিলেন। একটি অনুষ্ঠানেও যোগ দেন। এছাড়াও জানা গিয়েছে, গত ১৯ মার্চ তিনি অন্ধ্রপ্রদেশের পশ্চিম গোদাবরী জেলায় গিয়েছিলেন। এই সব জায়গায় তিনি কার কার সংস্পর্শে এসেছেন তাঁরও খোঁজ নেওয়া শুরু করেছে পুলিশ। বাবার রিপোর্ট পজ়িটিভ আসায় অন্যদের ঝুঁকির মাত্রা আরও বেড়ে গেল।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More