বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮

মাতাল বাবার হাত থেকে মাকে বাঁচাতে গিয়ে মৃত শিশুকন্যা

দ্য ওয়াল ব্যুরো : রোজ রাতে মদ খেয়ে বাড়ি ফিরতেন এস কৈলাস। তাঁর বয়স ৩৭। তামিলনাড়ুর তিরুনেলভেলির বাসিন্দা। বাড়ি ফিরে নিত্যদিন তাঁর সঙ্গে স্ত্রীর ঝগড়া হত। ৩২ বছরের স্ত্রী নীলাবতীকে মারধর করতেন কৈলাস।

সোমবার সকালে তাঁদের মেয়ে সুগৃথা বাড়ির বাইরে খেলছিল। কৈলাস তাকে বাড়ির ভিতর থেকে ডাকছিলেন। কিন্তু সে বাবার কথায় সাড়া দেয়নি। সেদিন রাতেও কৈলাস মদ খেয়ে বাড়িতে ঢোকেন। নীলাবতীকে বলেন, মেয়ে আমার কথা শোনে না। এই নিয়ে দু’জনে তুমুল ঝগড়া বাধে। কৈলাস স্ত্রীকে মারতে যান। সুগৃথা বাবাকে থামাতে যায়। তাতে কৈলাস আরও রেগে যান। মেয়েকে নির্মমভাবে মারধর করেন। তারপর তাকে মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে দেন।

পড়ে গিয়ে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে যায়। কৈলাসরা মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার মৃত্যু হয়। তাঁরা দ্রুত মেয়ের সৎকার করতে যান। তাতেই প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। কৈলাসরা তাঁদের বলেন, মেয়ে ছাদ থেকে পড়ে গিয়েছিল।

মঙ্গলবার কৈলাস ও নীলাবতী মেয়েকে সমাহিত করতে যান। ততক্ষণে প্রতিবেশীরা পুলিশকে খবর দিয়েছিলেন। পুলিশ কৈলাসদের বাড়িতে আসে। প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানান, তাঁরা সোমবার রাতে ওই দম্পতিকে ঝগড়া করতে শুনেছেন। পুলিশের জেরার মুখে কৈলাস স্বীকার করেন, তাঁর মারেই মেয়ে মারা গিয়েছে।

পুলিশ কৈলাস ও নীলাবতীকে গ্রেফতার করেছে। সুগৃথার দেহটি তিরুনেলভেলি গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হসপিটালে পাঠানো হয়েছে অটোপসির জন্য।

Comments are closed.