বুধবার, জুন ১৯

কোথাও পদ্ম, কোথাও সবুজ! মিষ্টির দোকানে চূড়ান্ত ব্যস্ততা ভোট গণনার আগে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আর কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। রাত পোহালেই শুরু লোকসভা ভোটের গণনা। তাই সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের মাথায় চিন্তার চাপটাও একটু বেশি।

প্রতিটি কর্মীও নিজের দলের প্রার্থীদের নিয়ে বেশ উৎসাহী হয়ে আছে। যাকে বলে টিম স্পিরিট, তার কমতি নেই। এই অবস্থাতেই মনের আনন্দকে আরও একটু বাড়ানোর জন্য মিষ্টি কেনার ব্যস্ততা দেখা গেল হুগলির পাণ্ডুয়ায়।

তবে যে-সে মিষ্টি নয় অবশ্য, সমস্ত রাজনৈতিক দলের জন্য তৈরি করা বিশেষ রকমের কিছু মিষ্টির বিক্রি আজ তুঙ্গে। এমনই এক মিষ্টির দোকান দেখা গেলো পান্ডুয়া রেলস্টেশন কাছে একটি দোকানে। বুধবার সকাল থেকেই দোকানে ছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা থেকে কর্মীদের আনাগোনা। শুধু ভোটের মিষ্টি কেনার জন্যই ভিড় করেছেন তাঁরা।

ভোটের মিষ্টি কী রকম?

দোকানের মালিক জানান, “আমরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নানা রকম মিষ্টি বানাই। তাই আগামী কাল যে ভোট গণনা, সেই উদ্দেশে বেশ কিছু রাজনৈতিক দলের প্রতীক লাগানো মিষ্টি তৈরি করে ফেললাম। তবে ভাবতে পারিনি এত চাহিদা হবে।” তিনি আরও জানান, পদ্মফুল মিষ্টিটা বেশী বিক্রি হচ্ছে। দামটাও সকলের সাধ্যের মধ্যে রাখা হয়েছে। এক একটি মিষ্টির দাম ২০ টাকা করে করা হয়েছে।

বর্ধমানের একটি দোকানে আবার বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি দেখা গেল। কোথাও সিপিএম, কোথাও তৃণমূল কংগ্রেস, কোথাও বিজেপি তো কোথাও কংগ্রেস। ১০০ পিস করে সব ক’টা মিষ্টি বানানো হয়েছিল। কিন্তু ঘণ্টাখানেকের মধ্যে প্রায় সব শেষের দিকে। আগামী কাল আরও কিছু নতুন রকমের মিষ্টি বানানোর ইচ্ছা আছে বলে জানান ঐ দোকানের মালিক।

গত কয়েক বারের ভোটের অভিজ্ঞতা থেকে তৈরি থাকছেন বর্ধমান শহরের মিষ্টি ব্যবসায়ীরা। বর্ধমান শহর মিষ্টির জন্য বিখ্যাত। সীতাভোগ, মিহিদানা, ল্যাংচা থেকে শুরু করে রসগোল্লার জন্যও বিখ্যাত। গত কয়েক বছর ভোট গণনার দিনে ভালই চাহিদা দেখা গেছে মিষ্টির। গণনা কেন্দ্রে যখনই জয়ের পূর্বাভাস পাওয়া গেছে, তখন থেকে শুরু করে আবির খেলা অবধি– মিষ্টির জোগান দিতে হয়েছে শহরের ব্যবসায়ীদের।

এ বার তাই আগেভাগে তৈরি কয়েক জন মিষ্টি ব্যবসায়ী। ম্যাঙ্গো রসগোল্লা, অরেঞ্জ রসগোল্লা-সহ নানা রঙের সীতাভোগ সব তৈরি হচ্ছে এ দিন বিকেল থেকেই। যদিও এখানে পাল্লা ভারী সবুজ মিষ্টির৷ গত কয়েকটি ভোটে ফলাফল সবুজের দিকে ঝুঁকেছে কি না।

Comments are closed.