শুক্রবার, নভেম্বর ২২
TheWall
TheWall

সাগরদিঘিতে নিহত শ্রমিকদের পরিবারের পাশে শুভেন্দু,  দিলেন ক্ষতিপূরণের চেক

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাশ্মীরের কুলগামে জঙ্গি হামলায় নিহত বাঙালি শ্রমিকদের পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করতে বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি গেলেন পরিবহণ ও সেচমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, এই পরিবারগুলিকে সবরক সাহায্য করবে সরকার। এরপরই নবান্নের তরফে জানানো হয়, নহত শ্রমিকদের পরিবারগুলিকে এককালীন পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। এদিন গিয়ে সেই ক্ষতিপূরণের চেক পরিবারের হাতে তুলে দেন শুভেন্দু।

নিহত শ্রমিকদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে এই জঙ্গি হামলার দায় কেন্দ্রীয় সরকারের উপরে চাপিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। একই সঙ্গে দাবি করেছেন, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক। এদিন সকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ঘুরিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে আঙুল তুলেছেন। বলেছেন, “কাশ্মীরে এখন সমস্ত রাজনৈতিক কর্মসূচি বন্ধ। ওখানকার প্রশাসন এখন কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে।” তাঁর কথায়, “কে কোথাকার লোক সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা তাঁরা সবাই মানুষ।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে এই শ্রমিকদের। তাঁরা বাড়িতে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তার মধ্যেই এই নৃশংস হামলা চালায় জঙ্গিরা।

কাশ্মীরে বাইরে থেকে আসা লোকেদেরই ইদানীং সন্ত্রাসবাদীরা আক্রমণের নিশানা করে নিয়েছে। অনেকের মতে, কারণ স্থানীয় মানুষ মারা গেলে তারা এলাকায় কোনওরকম সাহায্য বা মদত পাবে না বলেই মনে করছে। গতকালও অনন্তনাগে একজন ট্রাক ড্রাইভারকে গুলি করে মেরেছে জঙ্গিরা। সেই সঙ্গে সোপোরে একটি বাস স্ট্যান্ড লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়েছে।

পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে উপত্যকায় জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা যে অনবরত চলছে তা ধারাবাহিক ভাবে জানিয়ে চলছে ভারত। শুধু তা নয়, নয়াদিল্লির বক্তব্য যুদ্ধ বিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে পাকিস্তানের তরফে গোলাবর্ষণও বিক্ষিপ্ত ভাবে চলছে। হতে পারে জঙ্গি অনুপ্রবেশ ঘটানোর জন্যই এই ধরনের গোলাবর্ষণ চালানো হচ্ছে। তবে তা রুখে দিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীও তৎপর। কুলগামের হামলাকারীদেরও খুঁজে বার করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্তারা।

পড়ুন ‘দ্য ওয়াল’ পুজো ম্যাগাজিন ২০১৯ – এ প্রকাশিত গল্প

Comments are closed.