বুধবার, জুন ১৯

ভবিষ্যতের শিল্পী বাছাই করবে ‘সুপার সিঙ্গার জুনিয়র’, সৌজন্যে স্টার জলসা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমাদের বাংলাকে সারা দেশ যেভাবে  মনে রাখে, তাতে এখানকার সংস্কৃতির একটা বড় জায়গা রয়েছে।  আর সুর, তাল, ছন্দে বাংলার শিল্পীরা যেভাবে দেশ বিদেশে নিজেদের গুণের ছাপ রেখেছেন, তাতে বাংলার জায়গা অনেকটাই ঋদ্ধও হয়েছে।  শিল্প এবং শিল্পী সবসময়েই তার নতুন প্রজন্মকে তৈরি করে নেয়, ভবিষ্যতের জন্য।  আর সে কথা মাথায় রেখেই আবারও ছোটদের গানের জন্য একটা প্ল্যাটফর্ম দিচ্ছে ‘স্টার জলসা’।  যাদের স্লোগান ‘চলো পাল্টাই’।  এবার আসছে ‘সুপার সিঙ্গার জুনিয়র’।

৫ থেকে ১২ বছরের বাচ্চারা তাদের সুরে মাতাবে মঞ্চ।  ১লা জুন থেকে প্রতি শনিবার এবং রবিবার রাত সাড়ে আটটায় হবে এই শো।  এই গানের প্রতিযোগিতার বিচারকের আসনে থাকছেন, সুরকার ও সঙ্গীত শিল্পী জিৎ গাঙ্গুলি, শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী কৌশিকী চক্রবর্তী, গায়ক কুমার শানু।  অনুষ্ঠানের পরিচালক শুভঙ্কর চট্টোপাধ্যায়।  কৌশিকী, শুভঙ্কর, শানু, জিৎ প্রত্যেককেই হাল্কা মেজাজে হাসি ঠাট্টায় পাওয়া গেল শহরের এক পাঁচতারা হোটেলে।  ২১ তারিখ সন্ধ্যায় ‘স্টার জলসা’ শহরের ওই পাঁচতারা হোটেলটিতে তাঁদের ‘সুপার সিঙ্গার জুনিয়র’ নিয়ে  সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।  সেখানেই এই প্রোগ্রাম সম্পর্কে নিজেদের মতামত জানালেন এই চারজন প্রথিতযশা।

এই শো-এর সঞ্চালনা করছেন রুকমা রায়।  আর এই কচিকাঁচাদের গ্রুমিঙের দায়িত্বে আছেন রেশমী, কিঞ্জল, শোভন, অঙ্কন, তৃষা।  এই জেন ওয়াই শিল্পীরা কতটা তৈরি করতে পারেন বাচ্চাদের, সেদিকেই তাকিয়ে বিচারকরা।  যথেষ্ট আশাবাদী তাঁরা প্রত্যেকেই।  সারা রাজ্য থেকেই, জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি, মালদা, নবদ্বীপ, দুর্গাপুর, চন্দননগর. মেদিনীপুর, কলকাতা থেকে বেছে নেওয়া হয়েছে মোট ২৪ জন শিশু শিল্পীকে।  এবার তাদের মধ্যে লড়াই কতটা এবং কীভাবে হয় সেটাই দেখার।

সাংবাদিক সম্মেলন থেকে রিয়াল্যিটি শো নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হল বিচারকদের।  তাঁরা দায়িত্ব নিয়ে বললেন—রিয়াল্যিটি শো শুধু আলোটা দেখায়।  স্পটলাইটের পেছনের সাধনা, অধ্যবসায়, লেগে থাকা এগুলো কমে গেলে কারও রাস্তাই আর লম্বা হবে না কখনও।  আর এখানে বাচ্চাদের নিয়ে কাজ, তাই তাঁদের অভিভাবকদের সবসময়ে মাথায় রাখতেই হবে, জীবনের এই তিন মাসে তো শেষ নয়।  তাই ওই লেগে থাকাটা ভীষণরকম জরুরি।  অন্যদিকে এই শো গুলোর বিচার ব্যবস্থা নিয়ে কথা ওঠায়, পরিষ্কার করে শানু বললেন, শেষ সিদ্ধান্ত তো বিচারকরাই নেবেন।  এছাড়াও সিঙ্গল সঙ, সোলো সঙের প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে এল এই তিন বিচারকের কথায়।  তাঁরা বলছেন সোলো গানের প্রয়োজন সবসময় আছে, নইলে একটা ইণ্ডাস্ট্রি দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না।  আর গান কেন খুব তাড়াতাড়ি হারিয়ে যাচ্ছে এই প্রশ্নে ওঁরা বলছেন, অপশন এখন অনেক বেশি।  আগে সেটা ছিল না।  তাই এখন অনেক বেশি কঠিন লড়াই।  এর মাঝেও যথার্থই ভালো গান তৈরি হলে,  সে গান নিশ্চয় অনেকদিন টিকে থাকবে।

আরও কী বললেন বিচারকরা জানুন ভিডিয়োতে

Comments are closed.