সংসদ ভবন শুধু একটি ইমারত নয়, জড়িয়ে রয়েছে জাতির আবেগ ও ইতিহাস

এই যে এত বড় একটা দায়িত্ব গুজরাতের ফার্মকে দেওয়া হল, এর আগে তারা কী ধরনের স্থাপত্য নির্মাণ করেছে? কোথায় কোথায় করেছে? সাধারণ মানুষের এসব জানা দরকার। পাবলিক ডোমেইনে কিছু নেই। হঠাৎ একদিন সংবাদমাধ্যমে দেখা গেল এই হবে, তাই হবে, এত হাজার কোটি টাকা খরচ হবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    সুখেন্দুশেখর রায়, সাংসদ, রাজ্যসভা

    আপনার যদি দিল্লি সম্পর্কে ধারণা থাকে, তবে নিশ্চয়ই জানবেন যে, রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে শুরু করে ইন্ডিয়া গেট, এই যে লম্বা লাইনটা, সেন্ট্রাল ভিস্টা বলে যেটাকে, এই জায়গাটা এত সুন্দর যে পৃথিবীর যেকোনও বড় ও উন্নত রাষ্ট্রের রাজধানীর সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। দু’পাশে বোট ক্লাব ময়দান, তার মধ্যে ছোট লেক, রাষ্ট্রপতি ভবন, একপাশে কেন্দ্রীয় সচিবালয়, আর একটু দূরে সংসদ ভবন– সব মিলিয়ে জায়গাটা অতুলনীয়। সংসদ ভবন-সহ সেই গোটা এলাকার খোলনলচে বদলে দেওয়ার পথে হাঁটতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন? পরে বলছি। আগে দেখে নেওয়া যাক, এই বদলের ভাবনা কবে এল।

    ২০১২ সালে যখন মীরা কুমার স্পিকার ছিলেন তিনি একটি কমিটি তৈরি করেন। কেন? কারণ, পার্লামেন্টে স্থানাভাব হচ্ছে, সংসদ ভবনটিও পুরনো হয়ে গিয়েছে এবং আগামী দিনে জনসংখ্যার নিরিখে যখন লোকসভা ও রাজ্যসভায় সদস্য আরও বাড়বে, তখন সংসদের চেহারাটা স্ফীত হবে। সেক্ষেত্রে নতুন ভবন নির্মাণ ছাড়া উপায় নেই। অথবা বর্তমান সংসদ ভবনটিকেই সম্প্রসারণের প্রয়োজন পড়বে। এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি তৈরি করা হয়। মনে রাখতে হবে, এই সময়ে ইংল্যান্ডেও সংসদ ভবন সরানোর প্রস্তাব আসে এবং তা যথারীতি খারিজ হয়ে যায়। যাইহোক, আমাদের তৎকালীন সরকার ২০১৪ সালে ক্ষমতা থেকে সরে গেলে সেই উদ্যোগ চাপা পড়ে যায়। পরবর্তীতে ২০১৯-এ উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠান যে, বিকল্প সংসদ ভবন নির্মাণ অথবা বর্তমান ভবনের সংস্কার বা সম্প্রসারণ করা হোক।
    পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে এই কমিটির কোনও আলাপ-আলোচনা হয়েছে কিনা কেউ কিছু জানেন না। হঠাৎ করে লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদদের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। রাজ্যসভার জয়েন্ট সেক্রেটারির একটি চিঠি আসে আমার কাছেও। ১৭ অক্টোবর ২০১৯-এ চিঠিটি লেখা। বিষয়: বর্তমান সংসদ ভবনের সংস্কার/ নতুন ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত পরামর্শ। তাতে সংসদ ভবন সংক্রান্ত নির্দিষ্ট তিনটি বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়। সাতদিনের মাথায় আমি সে চিঠির জবাব দিই। তাতে আমি মূলত কয়েকটি বিষয়ের উল্লেখ করি।

    ১৯৩৭ সালে চালু হয়েছে আমাদের সংসদ ভবন। অর্থাৎ একশো বছরও হয়নি। আমাদের কলকাতা শহরেই ২৫০ বছরের পুরনো বিল্ডিং এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছে। চিঠিতে বলার বা বোঝানোর চেষ্টা করেছি যে, আমাদের সংসদ ভবন পৃথিবীর অনেক পার্লামেন্ট ভবনের চেয়ে বয়সে নবীন। সংসদ ভবনটির সম্প্রসারণের নিশ্চয়ই দরকার আছে। স্থানাভাব আছে। এই স্থানাভাব সঙ্গত কারণেই বাড়বে, আগামীদিনে জনপ্রতিনিধির সংখ্যা বেড়ে গেলে। কিন্তু এই অনিন্দ্যসুন্দর হেরিটেজ বিল্ডিংকে নষ্ট করা বা এটা থেকে সরে যাওয়ার কোনও মানে হয় না। আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় আন্তর্জাতিক মানের কোনও স্থাপত্য সংস্থাকে দিয়ে বর্তমান সংসদ ভবনের যথাযথ সংস্কার করা যেতে পারে।
    আমাদের সামনে ইউকে, জাপান বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাচীন সংসদ ভবনগুলি উদাহরণ হিসেবে রয়েছে। জাপানের ডায়েট, ইউএসএ-এর ক্যাপিটল বিল্ডিং এবং ইউকে-র প্যালেস অব ওয়েস্ট মিনিস্টর– এই তিনটি সংসদ ভবন নানা সময়ে আগুনে বা যুদ্ধের কারণে ধ্বংস হয়েছে। তা সত্ত্বেও তারা সেখানেই সেগুলির সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ করেছে। বিশ্বের অন্যান্য অনেক সংসদ ভবনের তুলনায় ভারতীয় সংসদের বর্তমান বিল্ডিংটি এত পুরানো নয় যে সেটা ভেঙে ফেলে নতুন একটা সংসদ ভবন গড়ে তুলতে হবে।

    কোনও সন্দেহ নেই যে, ভারতীয় সংসদ ভবনটি রাজকীয় এবং এর আভিজাত্য ও মহিমা কেবল ভারতের কয়েকটি মাত্র ভবনের সঙ্গে তুলনীয়। একই সঙ্গে এটি একটি অসাধারণ ঐতিহ্যবাহী ভবন, যা গোড়া থেকেই অনেক ঐতিহাসিক, আইনি, সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক ঘটনার সাক্ষী। যেকোনও মূল্যে ঐতিহ্যশালী এই স্থাপত্যের স্বাতন্ত্র্য অক্ষুন্ন রেখে এটিকে বাঁচিয়ে রাখা প্রয়োজন। সর্বাধুনিক প্রযুক্তির হাত ধরে সেটা সম্ভবও।
    সংসদ ভবনের মতো একটি প্রাচীন ইমারতের প্রতিটি ধূলিকণায়, তার আনাচেকানাচে কত ইতিহাস লুকিয়ে আছে। সেই ইতিহাস-ঐতিহ্যকে ধরে রাখে একটি নির্মাণ। এখানে ভগৎ সিং, বটুকেশ্বর দত্তের মতো বিপ্লবীরা বোমা ফেলেছিলেন। তখন এটাকে সেন্ট্রাল অ্যাসেম্বলি বলা হত। কাউকে মারার জন্য নয়, তাঁরা চেয়েছিলেন বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে, দেখাতে যে, ইংরেজরা আমাদের কীভাবে শোষণ করছে এবং অত্যাচার চালাচ্ছে। একইভাবে বলা যায় যে, সেন্ট্রাল হলে আমাদের দেশের সংবিধান রচিত হয়েছে। তার পরিমণ্ডলের যে পবিত্রতা সেটা তো একটা নতুন ভবনে পাব না। হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে নতুন ভবন হয়তো অনেক আধুনিক, অনেক বিলাসবহুল হবে। কিন্তু সেখানে কি আমরা ইতিহাসকে ছুঁয়ে দেখার সুযোগ পাব? একটা ভবন তো শুধু ইট, কাঠ, পাথরের, কড়িবরগার ইমারত নয়। তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে গোটা জাতির আবেগ।

    সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভবন-সৌধের সংস্কার প্রয়োজন। তার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকা স্বাভাবিক। তা কাটিয়ে ওঠার প্রয়োজন বাড়তে থাকায় কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এই ভবনটি সংস্কার করবে, নতুবা আরও জায়গা এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ একটি নতুন সংসদ ভবন নির্মাণের পথে হাঁটবে। কিন্তু শোনা যাচ্ছে, শুধু সংসদ ভবন নয়, নতুন দিল্লির গোটা সেন্ট্রাল ভিস্টা এলাকার ঐতিহ্যশালী ইমারতগুলিতে বিপুল কর্মকাণ্ড চলবে। এই অদলবদল তা হলে শুধু সংসদ ভবনেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। প্রধানমন্ত্রী, উপরাষ্ট্রপতির বাসভবনও স্থানান্তরিত হবে। নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লককে মিউজিয়াম করে দেওয়া হবে। এত মিউজিয়ামের কী দরকার? বায়ো-ডাইভার্সিটি পার্ক আছে রাষ্ট্রপতি ভবনের পিছনে, সেটাও সঙ্কুচিত হবে। এ সবই আসলে ইতিহাস, অতীত-ঐতিহ্য পাল্টে দেওয়ার জন্য।

    ইংরেজরা কলকাতা থেকে রাজধানী সরিয়ে দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছিল। ১৯১২ সালে পয়লা এপ্রিল। ঘোষণা হয়েছিল ১৯১১-তে। ওরা আসলে বিপ্লবী কর্মকাণ্ডে প্রাণের ভয়ে কলকাতা ছেড়ে পালিয়েছিল। সে অন্য ইতিহাস। কিন্তু এই সেন্ট্রাল ভিস্টা নির্মাণের জন্য ইংরেজরা প্রচুর মানুষকে উচ্ছেদ করেছে, বিপুল খরচ হয়েছে। সে সবই ভারতের মানুষের টাকা। যেমন কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল নির্মাণের জন্য ইংল্যান্ড থেকে একটি পয়সাও আসেনি। সবই ভারতীয়দের টাকায়।
    আবার রাষ্ট্রপতি ভবনের কথা ধরুন। আধুনিক স্থাপত্যের মধ্যে যেটি দেশের সবচেয়ে আকর্ষণীয়, সেটা তৈরি করতে গিয়ে তিনটে গ্রামকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল। একটা গ্রামের নাম রাইসিনা, আর একটার নাম মালচা। এখনও একটা রাস্তা আছে মালচা মার্গ। আর রাষ্ট্রপতি ভবনের জায়গাটিকে বলা হয় রাইসিনা হিল। অন্যটির নাম এইমুহূর্তে মনে আসছে না। এই তিনটি গ্রাম থেকে কয়েকশো কৃষক পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়। তাঁরা কোনও ক্ষতিপূরণ পাননি। সে আর একটা ইতিহাস।

    যে প্রসঙ্গে বলছিলাম, সেখানে ফিরি। এই যে সব কিছুকে বদলে দেওয়ার মানসিকতা, এই প্রবণতা কিন্তু খুব খারাপ। রাস্তার নাম পাল্টে দাও, স্টেশনের নাম পাল্টে দাও, ট্রেনের নাম পাল্টে দাও, বিমানবন্দরের নাম পাল্টে দাও বা কোনও প্রতিষ্ঠানের নাম পাল্টে দাও। এই একটা অকারণ পরিবর্তনের ব্যাধিতে যারা আক্রান্ত, তাদের মানসিকতাও একটা দুরারোগ্য অসুখ বলে আমার মনে হয়। নইলে ভারতবর্ষের সংসদ ভবনের মতো ঐতিহ্যশালী ভবন পৃথিবীর বুকে কমই আছে। অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ আইন তৈরি হয়েছে এখানেই। যা ভারতের আর্থ-সামাজিক জীবনে নতুন নতুন মোড় নিয়ে এসেছে। আইনের ছাত্র হিসেবে সেগুলির কথা উল্লেখ করতে পারি। কিন্তু এখানে সে পরিসর নেই।

    প্রায় ১২০ বিঘে জমির উপর আমাদের সংসদ ভবন। সেই পরিসরে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে অ্যানেক্স বিল্ডিং, নতুন লাইব্রেরি বিল্ডিং, অডিটোরিয়াম ইত্যাদি। যে যখন ক্ষমতায় ছিল ইচ্ছেমতো এইসব করেছে। এইসব জায়গায় আরও ফ্লোর তৈরি করে সংসদ ভবনের বিভাগীয় অফিসগুলি সেখানে স্থানান্তরিত করা যেতে পারে। সদস্যদের বসার জন্য আরও জায়গা তৈরি করতে লোকসভা এবং রাজ্যসভার ইনার লবিগুলিকে সংসদ-কক্ষের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া যায়। অনেকটা স্পেস বেড়ে যাবে। অন্তত কুড়ি ফুট করে সার্কেলটা বাড়বে, তা হলে অনেক সদস্য বসতে পারবেন সেখানেই।
    নতুন করে নকশা বানিয়ে সংস্কার বা সম্প্রসারণ করাই যায়। সংসদের দু’টি কক্ষ এবং সেন্ট্রাল হল বাদ দিয়ে মূল ভবনের নীচের তলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চেয়ারম্যান, ডেপুটি চেয়ারম্যান, বিরোধী দলের নেতা এবং সেক্রেটারি জেনারেলদের অফিস রাখা যেতে পারে। প্রথম তলায় মন্ত্রীদের জন্য কক্ষ এবং ২-৩টি কনফারেন্স রুম রেখে কমিটির কক্ষগুলি অ্যানেক্স/ গ্রন্থাগার ভবনে স্থানান্তরিত হতে পারে। মূল ভবনের দ্বিতীয় তল সংসদীয় দলগুলিকে বরাদ্দ করা যেতে পারে। এবং প্রথম এবং নীচের তলায় অবস্থিত ক্যান্টিন এবং ক্যাফে/ চা কর্নারগুলি গ্রন্থাগার বিল্ডিং এবং/ অথবা মিলনায়তনের বেসমেন্টে স্থানান্তরিত করা যেতে পারে। এর জন্য চাই সঠিক পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা।

    কিন্তু কী হচ্ছে? কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজেদের মতো করে সব কিছু পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। কোন কমিটি হল, কাদের নিয়ে কমিটি হল এটা কেউ জানল না। সংসদে এটা নিয়ে কোনও আলোচনা হল না। বলতে পারে, আমরা তো সবার মতামত চেয়ে পাঠিয়েছি। এই মতামত যে দিলাম, সেটা যে গ্রাহ্য হবে তেমন প্রত্যাশা করা মূর্খামি। কিন্তু তার একটা প্রাপ্তিস্বীকার পর্যন্ত করেনি। এটা অস্বাভাবিক। তার মানে বোঝা যাচ্ছে, সেটা করা হয়েছিল একটা নিয়মরক্ষার খাতিরে। একটা কমিটি হতে পারত, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, অন্য কোনও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান, ডেপুটি চেয়ারম্যান, লোকসভা ও রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি-সদস্যদের নিয়ে। আলোচনা করে একটা সিদ্ধান্তে আসা যেত। নিশ্চয়ই একটা ঐকমত্য তৈরি হতে পারত। কিন্তু সে সব হল না! আসলে খোলনলচে পাল্টে দেওয়ার যে রাজনীতি শুরু হয়েছে, এটা তারই অঙ্গ।

    তার মানে, সব আগে থেকেই ঠিক হয়ে আছে মনে হল। এতে কোনও স্বচ্ছতা রইল কি? হঠাৎ করে খবরের কাগজগুলিতে চোখে পড়ল সংসদ ভবন-সহ সেন্ট্রাল ভিস্টা এলাকায় অদলবদলের বিস্তারিত বিষয়, গুজরাতি কোনও সংস্থাকে দিয়ে এইসব করানো হবে ইত্যাদি প্রভৃতি। সেন্ট্রাল ভিস্টার চেহারা পাল্টে দেওয়া মানে দিল্লির চেহারাটাই পাল্টে যাবে। এত বড় একটা দেশের রাজধানীর চেহারাটা পাল্টাতে যাচ্ছে যারা, তাদের ক্রেডেনশিয়ালিটি কী? সেটা তো প্রথমে জানতে হবে। এই যে এত বড় একটা দায়িত্ব গুজরাতের ফার্মকে দেওয়া হল, এর আগে তারা কী ধরনের স্থাপত্য নির্মাণ করেছে? কোথায় কোথায় করেছে? সাধারণ মানুষের এসব জানা দরকার। পাবলিক ডোমেইনে কিছু নেই। হঠাৎ একদিন সংবাদমাধ্যমে দেখা গেল এই হবে, তাই হবে, এত হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। সংবাদসূত্রেই জানা গেল যে, স্পিকার বিদেশে কোনও সম্মেলনে বললেন, দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষপূর্তি উদযাপন হবে নতুন সংসদ ভবনে। তার আগে দেশবাসীই কিছু জানল না? আশ্চর্য!

    (লেখক রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ।)
    মতামত লেখকের নিজস্ব। 

    আরও পড়ুন… সংসদ ভবন: অচিরে স্মৃতি হয়ে যাবে যে স্থাপত্যশৈলী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More