বৃহস্পতিবার, মার্চ ২১

কলকাতা থেকে বাংলাদেশে পাচার হচ্ছিল নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ, রুখে দিল এসটিএফ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সন্দেহজনক একটি ট্রাক শহরে ঢুকেছে। খোঁজ পেয়েই তৎপর হয় এসটিএফ। ট্রাকটি তখন স্ট্র্যান্ড রোডের কাছাকাছি, তৈরি ছিল কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সও। ট্রাকটিকে থামিয়ে পুরোপুরি ঘিরে ফেলা হয়। ট্রাকের দরজা থুলতেই উদ্ধার হয় কয়েক হাজার ফেন্সিডিলের বোতল। রবিবার রাত এগারোটার সময় নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ (ফেন্সিডিল) বোঝাই ট্রাকটিকে ঘিরে ফেলে এসটিএফ। বাংলাদেশে পাচার হচ্ছিল ফেন্সিডিলের হাজার হাজার বোতল। ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বড় বড় বাক্সে ভর্তি ছিল ফেন্সিডিলের বোতল। মোট ১৮ হাজার কাফ সিরাপের বোতল উদ্ধার করেছে এসটিএফ বলে খবর। ছোট্ট প্লাস্টিকের বোতলে ভরা ছিল কাফ সিরাপ। ধৃত দুই বাংলাদেশি মহম্মদ আলম, মহম্মদ কারারি উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা বলে খবর। 

মহম্মদ আলম, মহম্মদ কারারি

উত্তরপ্রদেশ থেকে ফেন্সিডিলের বোতল পাচার হয়ে কলকাতায় আসছিল বলে খবর। কাফ সিরাপ পাচার চক্রের একটি শাখা কলকাতায় আছে বলে জানাচ্ছে পুলিশ। উত্তরপ্রদেশ থেকে ফেন্সিডিলের বোতলগুলি নিয়ে কলকাতায় নিয়ে আসছিল আলমরা। জানা যাচ্ছে, কলকাতায় পরিচিত পাচারকারীদের ফেন্সিডিলের বোতলগুলি হস্তান্তর করাই ছিল তাদের লক্ষ্য। কিন্তু, তারা যে পুলিশের নজরে এসেছে তা বুঝতে পেরেই আলম, কারারি নিজে থেকেই ট্রাকটিকে থামিয়ে দেয়।

দ্বারকেশ্বর চরে চলছে দেদার মুড়ি খাওয়া, শীতের আমেজে জমে উঠেছে কেঞ্জাকুড়ার ‘মুড়ি উৎসব’

সোমবার ভোর রাতেই বাংলাদেশে ট্রাক বোঝাই কাফ সিরাপের বোতলগুলি পাচার হতো বলে খবর ছিল পুলিশের কাছে। পশ্চিমবঙ্গের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে প্রায় প্রতিদিনই ফেন্সিডিল বোঝাই ট্রাক আটক করা হয়। কারণ, বাংলাদেশের একটা বড় অংশের মানুষ ফেন্সিডিলের নেশায় মত্ত। সেই কারণেই, নিষিদ্ধ এই কাফ সিরাপ বাংলাদেশের বাজারে চড়া দামে বিক্রি হয়। ২০১৭-১৮ সালের হিসেব বলেছে দক্ষিণবঙ্গে মোট ৯৭ হাজার বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। যার বাজারদর ১ কোটি ১৬ লক্ষ টাকারও বেশি।

কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, সীমান্তে বিএসএফের নজরদারি এড়াতে কলকাতাকে পাচারের জন্য বেছে নেওয়া হচ্ছে। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ থেকে ফেন্সিডিল পাচার হয়ে ঢুকে পড়ছে কলকাতায় কলকাতায় । তারপরেই তা বাংলাদেশে পাচার হচ্ছে।আপাতত ধৃত আলম ও মহম্মদ কারারিকে জেরা করছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে এনডিপিএস অ্যাক্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে। কলকাতায় এই পাচার চক্রের মাথা কারা তাদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

ঘরের কাজে বিনা বেতনে মহিলারা যে শ্রম করেন, তার আর্থিক মূল্য কত জানেন?

 

 

 

 

 

 

 

Shares

Comments are closed.