শুক্রবার, অক্টোবর ১৮

শান্তিপুরে অশান্তি, পুজো শেষে পুরোহিতের দেহ নিয়ে রাজনৈতিক গোলমাল  

দ্য ওয়াল ব্যুরো, নদিয়া: নবমীর রাত থেকে নিখোঁজ ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হল দ্বাদশীর সকালে। এই ঘটনা নিয়েই তীব্র উত্তেজনা ছড়াল নদিয়ার শান্তিপুরে। পুলিশ দেহ উদ্ধার করতে এলে বাধা দেয় স্থানীয়রা। ঘটনাস্থলে পৌঁছন রাণাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। দাবি করেন, উদ্ধার হওয়া দেহটি তাঁদের সক্রিয় কর্মীর। বৃহস্পতিবার বেলা একটা পর্যন্ত পাওয়া খবর, স্থানীয় জনতার বিক্ষোভে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠাতে পারেনি শান্তিপুর থানার পুলিশ।

শান্তিপুর বাগআচড়া দেবীতলার বাসিন্দা সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায় নবমীর রাতে মটর সাইকেল নিয়ে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে আর বাড়ি ফেরেননি। পেশায় পৌরহিত্য করতেন বছর ৫৫-এর সুপ্রিয়বাবু। পরিবারের তরফে বলা হয়েছে দশমীর সকালে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। এ দিন স্থানীয় একটি বিলে দেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। তারপরই খবর দেওয়া হয় পুলিশে। কিন্তু জল থেকে দেহ তুললেও গাড়িতে তুলতে পারেনি পুলিশ।

সাংসদ জগন্নাথ সরকার, এই ঘটনাটিকে খুন বলে অভিযোগ করেছেন। এবং কাঠগড়ায় তুলেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বকে। পরিবারের লোকজন সিআইডি তদন্তের দাবি জানিয়েছে। সুপ্রিয়বাবুর এক ভাই সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, “দাদ্র কাছে নগদ হাজার চারেক টাকা ছিল। হয়তো সেটা হাতিয়ে নেওয়ার জন্যই এই ঘটনা ঘটিয়েছে।”

বুধবারই নদিয়ার চাপড়ায় গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায় ও ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং। অষ্টমীর সকালে সেখানে আহমেদ শেখ নামের এক বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ ওঠে। গতকাল বিজেপি নেতারা গিয়ে তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। তুলে দেন আর্থিক সাহায্যও। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, লোকসভা নির্বাচনের পর নদিয়ায় দুই বিজেপি কর্মী খুন হয়েছেন। এর উপর যুক্ত হল শান্তিপুরের ঘটনায় ‘নিহত’ সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের  নাম।

Comments are closed.