৯ অগস্ট জলপাইগুড়িতে বিজেপির ভার্চুয়াল জনসভা, দিল্লির নির্দেশ মানতে নাওয়া খাওয়া শিকেয় জেলা নেতৃত্বের

বিজেপি জলপাইগুড়ি জেলার সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত চক্রবর্তী বলেন,‘‘এই করোনা আবহে সভা সমিতি, মিছিল, জনসভা সব বন্ধ। আমাদের উপর অত্যাচারের কাহিনী আমরা কীভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেব? তাই এবার ভার্চুয়াল সভার সংখ্যা বাড়িয়েই আরও বেশি করে মানুষের কাছে পৌঁছনোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।’’

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: দিল্লির নতুন টাস্ক জেলাভিত্তিক ভার্চুয়াল জনসভার আয়োজন। টার্গেট অন্তত দু’লক্ষ দর্শক। তা সামলাতে এখন নাওয়া খাওয়া ভুলতে বসেছেন বিজেপির জেলা নেতৃত্ব।

২১ সালে বাংলা দখলের লড়াইকে সামনে রেখে উত্তরবঙ্গকে পাখির চোখ করে ডিজিটাল মাধ্যমকে আরও বেশি করে ব্যবহারের পথে হাঁটতে চলেছে বিজেপি। নতুন দাওয়াই জেলাভিত্তিক ভার্চুয়াল র‍্যালি। এই প্রথম ভারতীয় জনতা পার্টির জলপাইগুড়ি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে ৯ অগস্ট বেলা দু’টোয় ভার্চুয়াল জনসভার মাধ্যমে বিজয় সংকল্প র‍্যালির আয়োজন করা হচ্ছে। বক্তা হিসেবে থাকবেন বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি বাপী গোস্বামী এবং সাংসদ ডাক্তার জয়ন্তকুমার রায়। জেলার অন্তত দু লক্ষের বেশি মানুষের কাছে দলের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার টার্গেট নেওয়া হয়েছে।

উত্তরবঙ্গ থেকে বেশি আসন না পেলে অধরা থাকবে বাংলা দখলের স্বপ্ন। তাই সম্প্রতি জলপাইগুড়ি সহ উত্তরের বিজেপি নেতাদের দিল্লিতে ডেকে নিয়ে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। ফেরত আসার সময়েই টাস্ক বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁদের। সুত্রের খবর রাজ্যের বেহাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচার, তৃণমূল নেতাদের দুর্নীতি ইত্যাদি বিষয় নিয়ে লাগাতার প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিজেপির জেলা নেতাদের।

বিজেপি জলপাইগুড়ি জেলার সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত চক্রবর্তী বলেন, ‘‘আমাদের কর্মীদের উপর পুলিশ লেলিয়ে দিয়ে লাগাতার অত্যাচার চালাচ্ছে শাসক দল। কিন্তু এই করোনা আবহে সভা সমিতি, মিছিল, জনসভা সব বন্ধ। এই অত্যাচারের কাহিনী আমরা কীভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেব? তাই এবার ভার্চুয়াল সভার সংখ্যা বাড়িয়েই আরও বেশি করে মানুষের কাছে পৌঁছনোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।’’

লক্ষ্যপূরণের পথ সম্পর্কে তিনি জানান, আটটি বিধানসভা নিয়ে বিজেপির জলপাইগুড়ি সাংগঠনিক জেলা। এখানে দু’হাজারের এর বেশি বুথ রয়েছে। আগামী ৯ তারিখ প্রতিটি বুথে ৫০ টি করে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন অন রাখতে বলা হয়েছে। একটি মোবাইল পিছু চারজন করে দর্শক থাকবে। এই নিয়ে বিধানসভা ভিত্তিতে ভার্চুয়াল তালিম দেওয়ার কাজও শেষ হয়েছে। এইভাবেই ওই দিন দর্শকের সংখ্যা দু’লক্ষের বেশি হবে বলে তাঁর দাবি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More