মাছধরা জাল নিয়ে বিবাদ, হাঁসুয়ার এলোপাথাড়ি কোপে মালদহে দুই গ্রামবাসীর মৃত্যু

পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে মৃত ব্যক্তিদের নাম অর্জুন ঘোষ (৩০), ও ফুলচাঁদ ঘোষ (৩২)। তাঁরা সম্পর্কে শালা ও ভগ্নিপতি। সংঘর্ষে জখম হয়েছে ভীম ঘোষ সহ আরও কয়েকজন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, মালদহ: মাছধরা জাল নিয়ে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ। তারই জেরে হাঁসুয়ার কোপে খুন হলেন দুই ব্যক্তি। ঘটনায় গুরুতর জখম আরও কয়েকজন। বুধবার গভীর রাতে ইংরেজবাজার থানার পার্বত্যা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। সংঘর্ষ ও খুনের ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে মৃত ব্যক্তিদের নাম অর্জুন ঘোষ (৩০), ও ফুলচাঁদ ঘোষ (৩২)। তাঁরা সম্পর্কে শালা ও ভগ্নিপতি। সংঘর্ষে জখম হয়েছে ভীম ঘোষ সহ আরও কয়েকজন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, বুধবার বিকেলে গ্রামের একটি পুকুরে ভেসে থাকা জাল নিয়ে অর্জুন ও ফুলচাঁদ মাছ ধরার জন্য তুলে নিয়ে গিয়ে  নিজেদের পুকুরে ফেলে। কিছুক্ষণ পর গ্রামের বাসিন্দা রাজেশ রায় ও মদন রায় এসে তাঁদের কাছে জালটি ফেরত চায়। কিন্তু জাল ফেরত দিতে নারাজ ছিলেন অর্জুন ও ফুলচাঁদ। এই নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে শুরু হয় বাদানুবাদ। তারই জেরে মারপিট শুরু হয়ে যায়। গ্রামের মানুষও দু’ভাগে ভাগ হয়ে যান। তবে তখনকার মতো সেই সংঘর্ষ থেমেও যায়।

অভিযোগ, বুধবার গভীর রাতে ফের রাজেশ রায় ও মদন রায় দলবল নিয়ে অর্জুন ও ফুলচাঁদের বাড়িতে চড়াও হয়। দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে হাঁসুয়া দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে দুজনকে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দু’জনের। তাদের বাঁচাতে এসে জখম হন পরিবারের আরও কয়েকজন। চিৎকার শুনে পাড়া প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। তখন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পড়শিরা আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাঁদের চোট খুবই গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ইংরেবাজার থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় পুলিশ। গ্রামে পরিস্থিতি সামাল দিতে ইংরেজবাজার থানার পক্ষ থেকে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজেও তল্লাশি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More