অনুব্রতকে হুমকি দেওয়া সেই তৃণমূল নেতার পুলিশ হেফাজত, বন্দুক বাজেয়াপ্ত করার আবেদন

নিত্যানন্দর বিরুদ্ধে অনুব্রত মণ্ডলকে ফোনে গুলি করে মারার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে একটি কল রেকর্ডের অডিও ক্লিপও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। হুমকির বিষয়ে আউশগ্রামের ইটাচাঁদার তৃণমূল কর্মী শেখ সুজাউদ্দিন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতেই পদক্ষেপ করে পুলিশ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: যেদিন তাঁকে পুলিশ গ্রেফতার করল, সেদিনই থানায় ঢুকতে ঢুকতে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন গুসকরার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়। বলেছিলেন, “জামিন পেলেই কেষ্ট মণ্ডলের কলার ধরব!”

প্রথমে তিন দিনের জেল হেফাজতের পর শুক্রবার তাঁকে ফের তোলা হয়েছিল বর্ধমান এসিজেএম আদালতে। তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত.মণ্ডলকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে এবার চার দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হল নিত্যানন্দকে।

আদালতে নিত্যানন্দর আইনজীবী কমল দত্ত বলেন, “যে ধারায় মামলা করা হয়েছে তা আদৌ প্রযোজ্য নয়। শাসক দলের দুই গোষ্ঠীর বিরোধের জেরে এই মামলার উৎপত্তি। তাছাড়া পুলিশ প্রথমে হেফাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানায়নি। পরে চাপে পড়ে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে।” প্রাক্তন কাউন্সিলরের জামিনের আবেদন জানান তিনি।

পাল্টা সরকারি আইনজীবী ও অভিযোগকারীর আইনজীবী সওয়াল করে বলেন, নিত্যানন্দ জামিন পেলে.এলাকায় বড়সড় গণ্ডগোল হতে পারে। তাঁর লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক বাজেয়াপ্ত করারও আবেদন জানানো হয়।

গোটা সওয়াল-জবাব পর্ব শেষে বিচারক রতন কুমার গুপ্ত চার দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

নিত্যানন্দর বিরুদ্ধে অনুব্রত মণ্ডলকে ফোনে গুলি করে মারার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে একটি কল রেকর্ডের অডিও ক্লিপও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। হুমকির বিষয়ে আউশগ্রামের ইটাচাঁদার তৃণমূল কর্মী শেখ সুজাউদ্দিন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতেই পদক্ষেপ করে পুলিশ।

নিত্যানন্দর বক্তব্য, অনুব্রত মণ্ডল তাঁর স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ২০ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিলেন। সেই টাকা শোধ না করার জন্য তিনি তাগাদা দেন। সেজন্য তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। এদিন মোবাইলের বার্তার সঙ্গে মিলিয়ে দেখার জন্য নিত্যানন্দর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করার জন্য আবেদন জানান তদন্তকারী অফিসার। সেই আবেদনও মঞ্জুর করেছেন বিচারক। তবে বন্দুক বাজেয়াপ্ত করার বিষয়ে আদালত কোনও নির্দেশ দেয়নি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More